যুক্তরাষ্ট্রের ১৪ দফার বিপরীতে অনড় ইরান; হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা ও আলোচনার সমান্তরাল লড়াই।
টানা ৪০ দিনের রক্তক্ষয়ী সংঘাত আর এক মাসের যুদ্ধবিরতির পর বিশ্ব রাজনীতির কেন্দ্রে এখন ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক চিঠিপত্র চালাচালি হলেও দুই মেরুর অবস্থানের দূরত্ব ঘুচছে না। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের কাছে ১৪ দফার একটি নতুন শান্তি প্রস্তাব পাঠিয়েছে, যেখানে আগামী ১২ বছরের জন্য ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ এবং মজুদ করা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে হস্তান্তরের শর্ত দেওয়া হয়েছে। বিনিময়ে ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও জব্দ করা ইরানি সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।
তবে ওয়াশিংটনের এই প্রস্তাবকে 'মার্কিন ইচ্ছার তালিকা' বলে অভিহিত করেছেন ইরানের নীতি নির্ধারকরা। তেহরানের সাফ কথা, কেবল সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, তারা চায় যুদ্ধের স্থায়ী সমাপ্তি এবং ভবিষ্যতে মার্কিন হামলা না হওয়ার আন্তর্জাতিক গ্যারান্টি। আলোচনার আড়ালে হরমুজ প্রণালিতে পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। তেহরান যখন দক্ষিণ ইরানি বন্দরগুলোতে মার্কিন বিমান হামলার অভিযোগ তুলছে, ওয়াশিংটন তখন ইরানি ড্রোন ও মিসাইল প্রতিহতের দাবি করছে। পারমাণবিক কর্মসূচি ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মতো মৌলিক ইস্যুতে দুই পক্ষই নিজ অবস্থানে অনড় থাকায় স্থায়ী শান্তিচুক্তি এখন পর্যন্ত অনিশ্চিত।
ওয়াশিংটন-তেহরান শান্তি প্রস্তাব: যুদ্ধ কি থামবে নাকি সংঘাত আরও বাড়বে?
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা নিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে চলছে নানা সমীকরণ। ছবি: সংগৃহীত
টানা ৪০ দিনের রক্তক্ষয়ী সংঘাত আর এক মাসের যুদ্ধবিরতির পর বিশ্ব রাজনীতির কেন্দ্রে এখন ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক চিঠিপত্র চালাচালি হলেও দুই মেরুর অবস্থানের দূরত্ব ঘুচছে না। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের কাছে ১৪ দফার একটি নতুন শান্তি প্রস্তাব পাঠিয়েছে, যেখানে আগামী ১২ বছরের জন্য ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ এবং মজুদ করা
সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে হস্তান্তরের শর্ত দেওয়া হয়েছে। বিনিময়ে ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও জব্দ করা ইরানি সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। তবে ওয়াশিংটনের এই প্রস্তাবকে 'মার্কিন ইচ্ছার তালিকা' বলে অভিহিত করেছেন ইরানের নীতি নির্ধারকরা। তেহরানের সাফ কথা, কেবল সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, তারা চায় যুদ্ধের স্থায়ী সমাপ্তি এবং ভবিষ্যতে মার্কিন হামলা না
হওয়ার আন্তর্জাতিক গ্যারান্টি। আলোচনার আড়ালে হরমুজ প্রণালিতে পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। তেহরান যখন দক্ষিণ ইরানি বন্দরগুলোতে মার্কিন বিমান হামলার অভিযোগ তুলছে, ওয়াশিংটন তখন ইরানি ড্রোন ও মিসাইল প্রতিহতের দাবি করছে। পারমাণবিক কর্মসূচি ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মতো মৌলিক ইস্যুতে দুই পক্ষই নিজ অবস্থানে অনড় থাকায় স্থায়ী শান্তিচুক্তি এখন পর্যন্ত অনিশ্চিত।
বিবেচনাধীন
[email protected] | +৮৮০৯৬৯৬৭১৮৮১৮৮
হোল্ডিং ১৮৫, পদ্মা আবাসিক এলাকা, রাজশাহী-৬০০০।
© ২০২৬ সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | কালের দিশা