হিমালয়ের দুর্গম পথে নিজেকে নিরাপদ রাখতে ট্রেকারদের জন্য একগুচ্ছ কার্যকর পরামর্শ
মাউন্ট এভারেস্ট থেকে অন্নপূর্ণা—হিমালয়ের আকাশছোঁয়া পর্বতমালা সব সময়ই রোমাঞ্চপ্রিয় মানুষদের কাছে এক বড় আকর্ষণ। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ থেকে প্রচুর পর্যটক নেপালের বিভিন্ন রুটে ট্রেকিং করতে যাচ্ছেন। তবে দুর্গম পাহাড়ি পথে হাঁটার রোমাঞ্চ যেমন আছে, তেমনি রয়েছে নানা ঝুঁকি। সঠিক পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির অভাবে অনেকেই মাঝপথে বিপদে পড়েন। নেপালের পার্বত্য অভিযানে যাওয়ার আগে যে বিষয়গুলো মাথায় রাখা অপরিহার্য, তা নিচে আলোচনা করা হলো:
১. গন্তব্য সম্পর্কে জানুন: আপনি কোন রুটে যাচ্ছেন, সেখানকার সর্বোচ্চ উচ্চতা কত এবং পথ কতটা খাড়া, সে সম্পর্কে আগে থেকে স্বচ্ছ ধারণা নিন। ইউটিউব বা অভিজ্ঞ ট্রেকারদের থেকে পরামর্শ নেওয়া এক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর।
২. শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতি: পাহাড়ে টানা ৫-৭ ঘণ্টা হাঁটার স্ট্যামিনা থাকতে হবে। তাই অন্তত এক মাস আগে থেকেই নিয়মিত ব্যায়াম এবং পিঠে ওজন নিয়ে হাঁটার অভ্যাস করা জরুরি। পাহাড়ের প্রতিকূল পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার মানসিক শক্তিও থাকতে হবে।
৩. অক্সিজেন ও উচ্চতাজনিত সমস্যা: উচ্চতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাতাসে অক্সিজেনের মাত্রা কমতে থাকে। ফলে ‘অল্টিটিউড সিকনেস’ বা উচ্চতাজনিত অসুস্থতার ঝুঁকি তৈরি হয়। এটি এড়াতে ধীরে ধীরে পথ চলতে হবে এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করতে হবে।
৪. উপযুক্ত সরঞ্জাম: ভালো মানের ট্রেকিং বুট, থার্মাল কাপড়, রেইনকোট এবং উচ্চমানের স্লিপিং ব্যাগ সঙ্গে রাখুন। সস্তার সরঞ্জাম দুর্গম পথে আপনার জন্য বিপদের কারণ হতে পারে।
৫. আবহাওয়া ও নিরাপত্তা: পাহাড়ের আবহাওয়া মুহূর্তেই বদলে যায়। তাই যাত্রার আগে আবহাওয়ার পূর্বাভাস জেনে নিন। সবসময় মনে রাখবেন, চূড়ায় পৌঁছানোর চেয়ে নিরাপদে ফিরে আসা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। শরীর সায় না দিলে বা আবহাওয়া খারাপ হলে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধা করবেন না।
এছাড়া অভিজ্ঞ গাইড সাথে নেওয়া, প্রয়োজনীয় পারমিট সংগ্রহ করা, পর্যাপ্ত পানি পান এবং ট্রাভেল ইনস্যুরেন্স করার মতো বিষয়গুলো আপনার ভ্রমণকে অনেক বেশি নিরাপদ ও আনন্দদায়ক করবে।
নেপাল ট্রেকিংয়ের প্রস্তুতি: পাহাড় জয়ের আগে যে ১০টি বিষয় জানা জরুরি
নেপালের দুর্গম পাহাড়ি পথে ট্রেকিংয়ের জন্য প্রয়োজন শারীরিক সক্ষমতা ও সঠিক পরিকল্পনা (ছবি: সংগৃহীত)।
মাউন্ট এভারেস্ট থেকে অন্নপূর্ণা—হিমালয়ের আকাশছোঁয়া পর্বতমালা সব সময়ই রোমাঞ্চপ্রিয় মানুষদের কাছে এক বড় আকর্ষণ। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ থেকে প্রচুর পর্যটক নেপালের বিভিন্ন রুটে ট্রেকিং করতে যাচ্ছেন। তবে দুর্গম পাহাড়ি পথে হাঁটার রোমাঞ্চ যেমন আছে, তেমনি রয়েছে নানা ঝুঁকি। সঠিক পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির অভাবে অনেকেই মাঝপথে বিপদে পড়েন। নেপালের পার্বত্য অভিযানে যাওয়ার আগে যে বিষয়গুলো মাথায় রাখা অপরিহার্য, তা নিচে আলোচনা করা হলো: ১. গন্তব্য সম্পর্কে জানুন: আপনি কোন রুটে যাচ্ছেন, সেখানকার সর্বোচ্চ উচ্চতা কত এবং পথ কতটা খাড়া, সে সম্পর্কে আগে থেকে স্বচ্ছ ধারণা নিন। ইউটিউব বা অভিজ্ঞ ট্রেকারদের
থেকে পরামর্শ নেওয়া এক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর। ২. শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতি: পাহাড়ে টানা ৫-৭ ঘণ্টা হাঁটার স্ট্যামিনা থাকতে হবে। তাই অন্তত এক মাস আগে থেকেই নিয়মিত ব্যায়াম এবং পিঠে ওজন নিয়ে হাঁটার অভ্যাস করা জরুরি। পাহাড়ের প্রতিকূল পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার মানসিক শক্তিও থাকতে হবে। ৩. অক্সিজেন ও উচ্চতাজনিত সমস্যা: উচ্চতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাতাসে অক্সিজেনের মাত্রা কমতে থাকে। ফলে ‘অল্টিটিউড সিকনেস’ বা উচ্চতাজনিত অসুস্থতার ঝুঁকি তৈরি হয়। এটি এড়াতে ধীরে ধীরে পথ চলতে হবে এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করতে হবে। ৪. উপযুক্ত সরঞ্জাম: ভালো মানের ট্রেকিং বুট, থার্মাল কাপড়,
রেইনকোট এবং উচ্চমানের স্লিপিং ব্যাগ সঙ্গে রাখুন। সস্তার সরঞ্জাম দুর্গম পথে আপনার জন্য বিপদের কারণ হতে পারে। ৫. আবহাওয়া ও নিরাপত্তা: পাহাড়ের আবহাওয়া মুহূর্তেই বদলে যায়। তাই যাত্রার আগে আবহাওয়ার পূর্বাভাস জেনে নিন। সবসময় মনে রাখবেন, চূড়ায় পৌঁছানোর চেয়ে নিরাপদে ফিরে আসা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। শরীর সায় না দিলে বা আবহাওয়া খারাপ হলে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধা করবেন না। এছাড়া অভিজ্ঞ গাইড সাথে নেওয়া, প্রয়োজনীয় পারমিট সংগ্রহ করা, পর্যাপ্ত পানি পান এবং ট্রাভেল ইনস্যুরেন্স করার মতো বিষয়গুলো আপনার ভ্রমণকে অনেক বেশি নিরাপদ ও আনন্দদায়ক করবে।
বিবেচনাধীন
[email protected] | +৮৮০৯৬৯৬৭১৮৮১৮৮
হোল্ডিং ১৮৫, পদ্মা আবাসিক এলাকা, রাজশাহী-৬০০০।
© ২০২৬ সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | কালের দিশা