শ্রমবাজারে অংশগ্রহণ ৩৬ শতাংশ ছাড়াল; বদলে যাচ্ছে রক্ষণশীল আরবের চিরাচরিত দৃশ্যপট
মরুর বুকে এখন পরিবর্তনের হাওয়া। প্রাচীন প্রথার দেয়াল সরিয়ে আরবের আকাশ এখন নতুন সূর্যের আলোয় উদ্ভাসিত। মেধা ও সাহসের মেলবন্ধনে সৌদি আরবের নারীরা কেবল নিজেদের ভাগ্যই পরিবর্তন করছেন না, বরং তারা হয়ে উঠেছেন আগামীর সমৃদ্ধ এক রাষ্ট্রের কারিগর। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উঠে এসেছে সৌদি নারীদের এই বিস্ময়কর অগ্রগতির চিত্র।
আরব নিউজের তথ্যমতে, ২০২৪ সালে সৌদি আরবের শ্রমবাজারে নারীদের অংশগ্রহণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৬ শতাংশে, যা দেশটির 'ভিশন ২০৩০'-এর প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রাকে অনেক আগেই ছাড়িয়ে গেছে। আশা করা হচ্ছে, ২০৩২ সাল নাগাদ সৌদি অর্থনীতিতে নারীদের আর্থিক অবদান ৩৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে। শুধু অর্থনীতি নয়, প্রশাসনিক ও মাঠপর্যায়ের কাজেও তারা সফল। উদাহরণস্বরূপ, প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমান রয়্যাল রিজার্ভের রেঞ্জারের মধ্যে ৩৪ শতাংশই নারী, যা বৈশ্বিক গড় হারের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি।
জেনারেল অথরিটি ফর স্ট্যাটিস্টিকসের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সৌদি আরবে নারী বেকারত্বের হার ১১.৯ শতাংশে নেমে এসেছে। উচ্চশিক্ষার হারও ঈর্ষণীয়; দেশটির ২৫ বছর বা তার বেশি বয়সী নারীদের মধ্যে ৩৫ শতাংশেরও বেশি স্নাতক ডিগ্রিধারী। উদ্ভাবনী ক্ষেত্রেও পিছিয়ে নেই তারা; ২০২৪ সালে সৌদি নারীরা একাই ২২টি প্যাটেন্ট নিবন্ধন করেছেন। এছাড়া ক্রীড়া ক্ষেত্রে প্রায় দুই হাজার দেশি-বিদেশি পুরস্কার জিতে তারা নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন।
সৌদি সরকার নারীদের অধিকার রক্ষায় ব্যাপক আইনি সংস্কার সাধন করেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং ন্যাশনাল ফ্যামিলি সেফটি প্রোগ্রামের মতো উদ্যোগের মাধ্যমে নারীদের সামাজিক ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। আল-ওলা চ্যারিটি অর্গানাইজেশনের সিইও আবির আবু সুলায়মানের মতে, সৌদি নারীরা এখন আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে সমাজকে নতুন কিছু ফিরিয়ে দিচ্ছেন। সব মিলিয়ে, সৌদি আরবের জাতীয় উন্নয়নে নারীরা এখন এক অপরিহার্য অংশীদার।
ভিশন ২০৩০: সৌদি আরবে নারী ক্ষমতায়নের এক নতুন অধ্যায়
ভিশন ২০৩০-এর হাত ধরে সৌদি আরবের কর্মক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে উল্লেখযোগ্য হারে। ছবি: আরব নিউজ।
মরুর বুকে এখন পরিবর্তনের হাওয়া। প্রাচীন প্রথার দেয়াল সরিয়ে আরবের আকাশ এখন নতুন সূর্যের আলোয় উদ্ভাসিত। মেধা ও সাহসের মেলবন্ধনে সৌদি আরবের নারীরা কেবল নিজেদের ভাগ্যই পরিবর্তন করছেন না, বরং তারা হয়ে উঠেছেন আগামীর সমৃদ্ধ এক রাষ্ট্রের কারিগর। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উঠে এসেছে সৌদি নারীদের এই বিস্ময়কর অগ্রগতির চিত্র। আরব নিউজের তথ্যমতে, ২০২৪ সালে সৌদি আরবের শ্রমবাজারে নারীদের অংশগ্রহণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৬ শতাংশে, যা দেশটির 'ভিশন ২০৩০'-এর প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রাকে অনেক আগেই ছাড়িয়ে গেছে। আশা করা হচ্ছে, ২০৩২
সাল নাগাদ সৌদি অর্থনীতিতে নারীদের আর্থিক অবদান ৩৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে। শুধু অর্থনীতি নয়, প্রশাসনিক ও মাঠপর্যায়ের কাজেও তারা সফল। উদাহরণস্বরূপ, প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমান রয়্যাল রিজার্ভের রেঞ্জারের মধ্যে ৩৪ শতাংশই নারী, যা বৈশ্বিক গড় হারের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি। জেনারেল অথরিটি ফর স্ট্যাটিস্টিকসের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সৌদি আরবে নারী বেকারত্বের হার ১১.৯ শতাংশে নেমে এসেছে। উচ্চশিক্ষার হারও ঈর্ষণীয়; দেশটির ২৫ বছর বা তার বেশি বয়সী নারীদের মধ্যে ৩৫ শতাংশেরও বেশি স্নাতক ডিগ্রিধারী। উদ্ভাবনী ক্ষেত্রেও পিছিয়ে নেই তারা; ২০২৪ সালে সৌদি
নারীরা একাই ২২টি প্যাটেন্ট নিবন্ধন করেছেন। এছাড়া ক্রীড়া ক্ষেত্রে প্রায় দুই হাজার দেশি-বিদেশি পুরস্কার জিতে তারা নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন। সৌদি সরকার নারীদের অধিকার রক্ষায় ব্যাপক আইনি সংস্কার সাধন করেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং ন্যাশনাল ফ্যামিলি সেফটি প্রোগ্রামের মতো উদ্যোগের মাধ্যমে নারীদের সামাজিক ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। আল-ওলা চ্যারিটি অর্গানাইজেশনের সিইও আবির আবু সুলায়মানের মতে, সৌদি নারীরা এখন আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে সমাজকে নতুন কিছু ফিরিয়ে দিচ্ছেন। সব মিলিয়ে, সৌদি আরবের জাতীয় উন্নয়নে নারীরা এখন এক অপরিহার্য অংশীদার।
বিবেচনাধীন
[email protected] | +৮৮০৯৬৯৬৭১৮৮১৮৮
হোল্ডিং ১৮৫, পদ্মা আবাসিক এলাকা, রাজশাহী-৬০০০।
© ২০২৬ সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | কালের দিশা