এপস্টেইন ফাইলের ভয়েই কি নতিস্বীকার? মোদির রাজনৈতিক স্বাধীনতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুললেন রাহুল গান্ধী।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পুরোপুরি মার্কিন নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন বলে এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। শুক্রবার গুরুগ্রামের এক জনসভায় দাঁড়িয়ে তিনি দাবি করেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি লাফ দিতে বলেন, তবে প্রধানমন্ত্রী মোদি কোনো প্রশ্ন ছাড়াই তা পালন করবেন। রাহুলের মতে, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এই তথাকথিত 'রাজনৈতিক দাসত্ব' দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ।
গান্ধীর এই চরম দাবির পেছনে উঠে এসেছে এক অন্ধকার নাম—জেফরি এপস্টেইন। রাহুলের ইঙ্গিত অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে তোলপাড় করা যৌন অপরাধী এপস্টেইনের গোপন নথিতে মোদির নাম রয়েছে। আর এই সংবেদনশীল তথ্যকেই ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে মার্কিন প্রশাসন। তাদের হাতে এমন কিছু নথিপত্র রয়েছে যা ভারতের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে মোদিকে জবরদস্তি করার সুযোগ করে দিচ্ছে। রাহুল গান্ধীর দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের যে বড় চুক্তিগুলো হয়েছে, সেগুলো কোনো বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা নয়, বরং ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে আসা এক প্রকার বাধ্যবাধকতা।
এর আগেও গত ২৫ এপ্রিল নরেন্দ্র মোদির সমালোচনা করে রাহুল গান্ধী বলেছিলেন যে, ট্রাম্পের চাপে পড়ে ভারতের স্বার্থের সাথে আপস করা হচ্ছে। বারবার মোদিকে 'আপসকারী' হিসেবে তুলে ধরে রাহুল অভিযোগ করছেন যে, গোপন নথির ফাঁদে পড়ে প্রধানমন্ত্রী নিজের রাজনৈতিক স্বাধীনতা হারিয়েছেন। ফলে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ইস্যুতে মার্কিন নেতৃত্ব এখন ছড়ি ঘোরাচ্ছে বলে মনে করেন এই কংগ্রেস নেতা।
ট্রাম্পের ইশারায় চলছেন মোদি, রাহুলের বিস্ফোরক দাবি
একই ফ্রেমে রাহুল গান্ধী ও নরেন্দ্র মোদি (প্রতীকী)। ছবি: সংগৃহীত।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পুরোপুরি মার্কিন নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন বলে এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। শুক্রবার গুরুগ্রামের এক জনসভায় দাঁড়িয়ে তিনি দাবি করেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি লাফ দিতে বলেন, তবে প্রধানমন্ত্রী মোদি কোনো প্রশ্ন ছাড়াই তা পালন করবেন। রাহুলের মতে, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এই তথাকথিত 'রাজনৈতিক দাসত্ব' দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ। গান্ধীর এই চরম দাবির পেছনে উঠে এসেছে এক অন্ধকার নাম—জেফরি এপস্টেইন।
রাহুলের ইঙ্গিত অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে তোলপাড় করা যৌন অপরাধী এপস্টেইনের গোপন নথিতে মোদির নাম রয়েছে। আর এই সংবেদনশীল তথ্যকেই ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে মার্কিন প্রশাসন। তাদের হাতে এমন কিছু নথিপত্র রয়েছে যা ভারতের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে মোদিকে জবরদস্তি করার সুযোগ করে দিচ্ছে। রাহুল গান্ধীর দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের যে বড় চুক্তিগুলো হয়েছে, সেগুলো কোনো বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা নয়, বরং ওয়াশিংটনের পক্ষ
থেকে আসা এক প্রকার বাধ্যবাধকতা। এর আগেও গত ২৫ এপ্রিল নরেন্দ্র মোদির সমালোচনা করে রাহুল গান্ধী বলেছিলেন যে, ট্রাম্পের চাপে পড়ে ভারতের স্বার্থের সাথে আপস করা হচ্ছে। বারবার মোদিকে 'আপসকারী' হিসেবে তুলে ধরে রাহুল অভিযোগ করছেন যে, গোপন নথির ফাঁদে পড়ে প্রধানমন্ত্রী নিজের রাজনৈতিক স্বাধীনতা হারিয়েছেন। ফলে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ইস্যুতে মার্কিন নেতৃত্ব এখন ছড়ি ঘোরাচ্ছে বলে মনে করেন এই কংগ্রেস নেতা।
বিবেচনাধীন
[email protected] | +৮৮০৯৬৯৬৭১৮৮১৮৮
হোল্ডিং ১৮৫, পদ্মা আবাসিক এলাকা, রাজশাহী-৬০০০।
© ২০২৬ সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | কালের দিশা