প্রকৃতির মেজাজ বদলে যাওয়ার স্পষ্ট সংকেত দিচ্ছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আগামী ৯৬ ঘণ্টা অর্থাৎ চার দিন দেশের বিস্তীর্ণ জনপদে মাঝারি থেকে অতিভারি বর্ষণের প্রবল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
মঙ্গলবার আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিশেষ সতর্কবার্তায় জানানো হয়েছে যে, কালবৈশাখী ঝড়ের এই দাপট মে মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে বৃষ্টিপাতের তীব্রতা এতটাই বেশি হতে পারে যে সেখানে পাহাড় ধসের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ৪৮ ঘণ্টা কালবৈশাখীর তাণ্ডব সবচেয়ে বেশি অনুভূত হতে পারে। এই সময়ের মধ্যে রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনাসহ আটটি বিভাগের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। আকাশে ঘন মেঘের আড়ালে থেকে থেকে বিদ্যুৎ চমকানো এবং বজ্রসহ বৃষ্টির এই ধারা বুধবারও অব্যাহত থাকার কথা বলা হয়েছে। যদিও রাজধানী ঢাকায় অতিভারি বর্ষণের সরাসরি কোনো সংকেত নেই, তবে প্রায় প্রতিদিন হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিতে ভিজতে পারে তিলোত্তমা এই শহর।
সিলেটে এরই মধ্যে বৃষ্টির রুদ্ররূপ দেখা গেছে; গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে ১৮৭ মিলিমিটার রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা জনজীবনে স্থবিরতা নামিয়ে এনেছে। আবহাওয়া দপ্তর বলছে, পশ্চিমা লঘুচাপের সাথে জলীয় বাষ্পের সংমিশ্রণে বায়ুমণ্ডলে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তারই প্রভাব পড়বে পুরো দেশে। ফলে আগামী কয়েক দিন যাতায়াত ও দৈনন্দিন কাজে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বজ্রপাত ও ঝড়ের সময় খোলা জায়গা থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার ওপর জোর দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
সারা দেশে অতিভারি বর্ষণ ও ঝড়ের সতর্কতা
ছবি: সংগৃহীত
প্রকৃতির মেজাজ বদলে যাওয়ার স্পষ্ট সংকেত দিচ্ছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আগামী ৯৬ ঘণ্টা অর্থাৎ চার দিন দেশের বিস্তীর্ণ জনপদে মাঝারি থেকে অতিভারি বর্ষণের প্রবল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিশেষ সতর্কবার্তায় জানানো হয়েছে যে, কালবৈশাখী ঝড়ের এই দাপট মে মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে বৃষ্টিপাতের তীব্রতা এতটাই বেশি হতে পারে যে সেখানে পাহাড় ধসের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার আশঙ্কা করা হচ্ছে। আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী,
আগামী ৪৮ ঘণ্টা কালবৈশাখীর তাণ্ডব সবচেয়ে বেশি অনুভূত হতে পারে। এই সময়ের মধ্যে রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনাসহ আটটি বিভাগের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। আকাশে ঘন মেঘের আড়ালে থেকে থেকে বিদ্যুৎ চমকানো এবং বজ্রসহ বৃষ্টির এই ধারা বুধবারও অব্যাহত থাকার কথা বলা হয়েছে। যদিও রাজধানী ঢাকায় অতিভারি বর্ষণের সরাসরি কোনো সংকেত নেই, তবে প্রায় প্রতিদিন হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিতে ভিজতে পারে তিলোত্তমা এই শহর।
সিলেটে এরই মধ্যে বৃষ্টির রুদ্ররূপ দেখা গেছে; গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে ১৮৭ মিলিমিটার রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা জনজীবনে স্থবিরতা নামিয়ে এনেছে। আবহাওয়া দপ্তর বলছে, পশ্চিমা লঘুচাপের সাথে জলীয় বাষ্পের সংমিশ্রণে বায়ুমণ্ডলে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তারই প্রভাব পড়বে পুরো দেশে। ফলে আগামী কয়েক দিন যাতায়াত ও দৈনন্দিন কাজে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বজ্রপাত ও ঝড়ের সময় খোলা জায়গা থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার ওপর জোর দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
বিবেচনাধীন
[email protected] | +৮৮০৯৬৯৬৭১৮৮১৮৮
হোল্ডিং ১৮৫, পদ্মা আবাসিক এলাকা, রাজশাহী-৬০০০।
© ২০২৬ সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | কালের দিশা