সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, বরং চলমান সংকটের স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতুন ১৪ দফা শান্তি প্রস্তাব জমা দিয়েছে ইরান।
মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের সংঘাত ও অস্থিরতা নিরসনে নতুন এক শান্তি পরিকল্পনার রূপরেখা যুক্তরাষ্ট্রকে দিয়েছে ইরান। গত শনিবার (২ মে) রাতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
ইরান জানিয়েছে, এই প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য কেবল সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা নয়, বরং পুরো অঞ্চলের সংকটের স্থায়ী ও দীর্ঘস্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করা। জানা গেছে, এর আগে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার জন্য দুই মাস সময় চেয়ে একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে তেহরান সেই প্রস্তাব নাকচ করে দিয়ে সাফ জানিয়েছে, যাবতীয় সংকট ও উত্তেজনার চূড়ান্ত মীমাংসা ৩০ দিনের মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে।
ইরানের পক্ষ থেকে দেওয়া এই নতুন শান্তি পরিকল্পনায় বেশ কিছু কঠোর শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। শর্তগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
নিরাপত্তা নিশ্চয়তা: ভবিষ্যতে ইরানের ওপর কোনো ধরনের সামরিক আগ্রাসন চালানো হবে না, এমন সুস্পষ্ট নিশ্চয়তা প্রদান করতে হবে।
সেনা প্রত্যাহার: ইরানের সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে সব ধরনের মার্কিন সেনা সরিয়ে নিতে হবে।
নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার: ইরানের ওপর আরোপিত সব ধরনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং নৌ-অবরোধ অবিলম্বে তুলে নিতে হবে।
সম্পদ ফেরত: বিদেশে জব্দ করা ইরানের সব ধরনের সম্পদ অবমুক্ত করে ফিরিয়ে দিতে হবে।
যুদ্ধবিরতি: লেবাননসহ সংঘাতপূর্ণ সব রণাঙ্গনে অবিলম্বে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে হবে।
শান্তি ফেরাতে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের ১৪ দফা পরিকল্পনা
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে নতুন পরিকল্পনা দিল তেহরান। ছবি: সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের সংঘাত ও অস্থিরতা নিরসনে নতুন এক শান্তি পরিকল্পনার রূপরেখা যুক্তরাষ্ট্রকে দিয়েছে ইরান। গত শনিবার (২ মে) রাতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। ইরান জানিয়েছে, এই প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য কেবল সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা নয়, বরং পুরো অঞ্চলের সংকটের স্থায়ী ও দীর্ঘস্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করা। জানা গেছে, এর আগে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার জন্য দুই মাস
সময় চেয়ে একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে তেহরান সেই প্রস্তাব নাকচ করে দিয়ে সাফ জানিয়েছে, যাবতীয় সংকট ও উত্তেজনার চূড়ান্ত মীমাংসা ৩০ দিনের মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে। ইরানের পক্ষ থেকে দেওয়া এই নতুন শান্তি পরিকল্পনায় বেশ কিছু কঠোর শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। শর্তগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: নিরাপত্তা নিশ্চয়তা: ভবিষ্যতে ইরানের ওপর কোনো ধরনের সামরিক আগ্রাসন চালানো হবে না, এমন
সুস্পষ্ট নিশ্চয়তা প্রদান করতে হবে। সেনা প্রত্যাহার: ইরানের সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে সব ধরনের মার্কিন সেনা সরিয়ে নিতে হবে। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার: ইরানের ওপর আরোপিত সব ধরনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং নৌ-অবরোধ অবিলম্বে তুলে নিতে হবে। সম্পদ ফেরত: বিদেশে জব্দ করা ইরানের সব ধরনের সম্পদ অবমুক্ত করে ফিরিয়ে দিতে হবে। যুদ্ধবিরতি: লেবাননসহ সংঘাতপূর্ণ সব রণাঙ্গনে অবিলম্বে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে হবে।
বিবেচনাধীন
[email protected] | +৮৮০৯৬৯৬৭১৮৮১৮৮
হোল্ডিং ১৮৫, পদ্মা আবাসিক এলাকা, রাজশাহী-৬০০০।
© ২০২৬ সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | কালের দিশা