হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পবিত্র ওমরাহ পালনে যাত্রাকালে ইমিগ্রেশন পুলিশের বাধার মুখে পড়েছিলেন নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দা ফাতেমা বেগম। বৈধ নথিপত্র থাকা সত্ত্বেও ওমরায় যেতে না দেওয়ায় মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের প্রতিকার চেয়ে এবার উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ফাতেমা বেগমের পক্ষে আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান (মামুন) এই রিটটি দায়ের করেন।
রিট আবেদনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) প্রধান এবং বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন ওসিকে বিবাদী করা হয়েছে। পিটিশনে বলা হয়, বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৬ ও ৪১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্বাধীন চলাফেরা ও ধর্মপালন নাগরিকের অবিচ্ছেদ্য অধিকার। ফাতেমা বেগম একজন বয়োজ্যেষ্ঠ নারী হয়েও জীবনের শেষ সায়াহ্নে আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের আশায় বিমানবন্দরে গিয়েছিলেন। কিন্তু কোনো সুনির্দিষ্ট ও বৈধ কারণ ছাড়াই ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা তাকে বাধা প্রদান করেন, যা অত্যন্ত নিষ্ঠুর ও অবিবেচক কাজ।
আইনজীবী জানান, বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসা থাকার পরেও পবিত্র ভূমিতে যাওয়ার সুযোগ কেড়ে নেওয়ায় আবেদনকারী চরম মানসিক ও আধ্যাত্মিক সংকটের সম্মুখীন হয়েছেন। এই ঘটনাকে নজিরবিহীন ‘কনস্টিটিউশনাল টর্ট’ বা সাংবিধানিক অন্যায় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই অপূরণীয় ক্ষতির জন্য বিবাদীদের কাছ থেকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে ১০ লাখ টাকা অন্তর্বর্তীকালীন ক্ষতিপূরণ প্রদানেরও আরজি জানানো হয়। শিগগিরই হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চে এই বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
ওমরায় বাধা: ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে রিট
ছবি: সংগৃহিত
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পবিত্র ওমরাহ পালনে যাত্রাকালে ইমিগ্রেশন পুলিশের বাধার মুখে পড়েছিলেন নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দা ফাতেমা বেগম। বৈধ নথিপত্র থাকা সত্ত্বেও ওমরায় যেতে না দেওয়ায় মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের প্রতিকার চেয়ে এবার উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ফাতেমা বেগমের পক্ষে আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান (মামুন) এই রিটটি দায়ের করেন। রিট আবেদনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, পুলিশের বিশেষ শাখার
(এসবি) প্রধান এবং বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন ওসিকে বিবাদী করা হয়েছে। পিটিশনে বলা হয়, বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৬ ও ৪১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্বাধীন চলাফেরা ও ধর্মপালন নাগরিকের অবিচ্ছেদ্য অধিকার। ফাতেমা বেগম একজন বয়োজ্যেষ্ঠ নারী হয়েও জীবনের শেষ সায়াহ্নে আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের আশায় বিমানবন্দরে গিয়েছিলেন। কিন্তু কোনো সুনির্দিষ্ট ও বৈধ কারণ ছাড়াই ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা তাকে বাধা প্রদান করেন, যা অত্যন্ত নিষ্ঠুর ও অবিবেচক কাজ। আইনজীবী জানান, বৈধ পাসপোর্ট ও
ভিসা থাকার পরেও পবিত্র ভূমিতে যাওয়ার সুযোগ কেড়ে নেওয়ায় আবেদনকারী চরম মানসিক ও আধ্যাত্মিক সংকটের সম্মুখীন হয়েছেন। এই ঘটনাকে নজিরবিহীন ‘কনস্টিটিউশনাল টর্ট’ বা সাংবিধানিক অন্যায় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই অপূরণীয় ক্ষতির জন্য বিবাদীদের কাছ থেকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে ১০ লাখ টাকা অন্তর্বর্তীকালীন ক্ষতিপূরণ প্রদানেরও আরজি জানানো হয়। শিগগিরই হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চে এই বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
বিবেচনাধীন
[email protected] | +৮৮০৯৬৯৬৭১৮৮১৮৮
হোল্ডিং ১৮৫, পদ্মা আবাসিক এলাকা, রাজশাহী-৬০০০।
© ২০২৬ সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | কালের দিশা