বিশ্বরাজনীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে আসছে এবং নতুন মেরুকরণের সৃষ্টি হচ্ছে বলে মনে করছে ইরানের সংবাদমাধ্যমগুলো।
মধ্যপ্রাচ্যসহ গোটা বিশ্বরাজনীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসছে বলে মনে করছেন ইরানের গণমাধ্যমকর্মীরা। দেশটির রক্ষণশীল ও সংস্কারপন্থী—উভয় ঘরানার সংবাদমাধ্যমে বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির ব্যর্থতার বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে। পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন মিত্রদের অবস্থান এবং চীনের ক্রমবর্ধমান সমীকরণকে তারা ওয়াশিংটনের বড় ধরনের ব্যর্থতা হিসেবেই চিত্রিত করেছে।
ইরানের প্রভাবশালী রক্ষণশীল দৈনিক ‘কায়হান’ তাদের প্রধান শিরোনামে লিখেছে, ‘ট্রাম্পের পাহাড়সম উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত ইঁদুর প্রসব করেছে! সংকীর্ণ হয়ে এলো হরমুজ প্রণালি।’ এই প্রবাদের মাধ্যমে তারা বোঝাতে চেয়েছে যে, ট্রাম্প প্রশাসন বড় বড় প্রতিশ্রুতির কথা বললেও বাস্তবে তার অর্জন অতি নগণ্য। পত্রিকাটির দাবি, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্রাম্পের পরিকল্পনা পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক জাহাজগুলো এখন আর যুক্তরাষ্ট্রকে ভরসা করতে পারছে না।
অন্যদিকে, সংস্কারপন্থী পত্রিকা ‘শারঘ’ সংযুক্ত আরব আমিরাতের বর্তমান পরিস্থিতির ওপর আলোকপাত করে শিরোনাম করেছে, ‘তেল আবিবের ফাঁদে আটকা পড়েছে আমিরাত।’ তাদের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে যে, ওয়াশিংটন এবং ইসরায়েলের সঙ্গে সখ্যতা বজায় রাখতে গিয়ে আমিরাতের মতো আঞ্চলিক শক্তিগুলো কৌশলগতভাবে বড় ক্ষতির মুখে পড়েছে। একই সঙ্গে বেইজিংয়ের অর্থনৈতিক পদক্ষেপের কারণে আমেরিকার অর্থনৈতিক আধিপত্য চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
এছাড়াও দৈনিক ‘ফারহিখতেগান’ তাদের প্রথম পাতায় ট্রাম্পের শাসনশৈলীকে যুক্তরাষ্ট্রের পতনের মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করে শিরোনাম দিয়েছে— ‘ট্রাম্পবাদই ডেকে আনবে আমেরিকার বিনাশ।’ সামগ্রিকভাবে ইরানি গণমাধ্যমগুলো এই বার্তাই দিতে চাইছে যে, মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণের দিন শেষ হয়ে আসছে এবং বিশ্ব এখন নতুন একটি মেরুকরণের দিকে ধাবিত হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব কমছে: ইরানি মিডিয়া
বিশ্বরাজনীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব নিয়ে ইরানি সংবাদমাধ্যমের বিশ্লেষণ। ছবি: সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যসহ গোটা বিশ্বরাজনীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসছে বলে মনে করছেন ইরানের গণমাধ্যমকর্মীরা। দেশটির রক্ষণশীল ও সংস্কারপন্থী—উভয় ঘরানার সংবাদমাধ্যমে বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির ব্যর্থতার বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে। পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন মিত্রদের অবস্থান এবং চীনের ক্রমবর্ধমান সমীকরণকে তারা ওয়াশিংটনের বড় ধরনের ব্যর্থতা হিসেবেই চিত্রিত করেছে। ইরানের প্রভাবশালী রক্ষণশীল দৈনিক ‘কায়হান’ তাদের প্রধান শিরোনামে লিখেছে, ‘ট্রাম্পের পাহাড়সম উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত ইঁদুর প্রসব করেছে! সংকীর্ণ হয়ে এলো হরমুজ প্রণালি।’ এই
প্রবাদের মাধ্যমে তারা বোঝাতে চেয়েছে যে, ট্রাম্প প্রশাসন বড় বড় প্রতিশ্রুতির কথা বললেও বাস্তবে তার অর্জন অতি নগণ্য। পত্রিকাটির দাবি, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্রাম্পের পরিকল্পনা পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক জাহাজগুলো এখন আর যুক্তরাষ্ট্রকে ভরসা করতে পারছে না। অন্যদিকে, সংস্কারপন্থী পত্রিকা ‘শারঘ’ সংযুক্ত আরব আমিরাতের বর্তমান পরিস্থিতির ওপর আলোকপাত করে শিরোনাম করেছে, ‘তেল আবিবের ফাঁদে আটকা পড়েছে আমিরাত।’ তাদের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে যে, ওয়াশিংটন এবং ইসরায়েলের সঙ্গে সখ্যতা বজায়
রাখতে গিয়ে আমিরাতের মতো আঞ্চলিক শক্তিগুলো কৌশলগতভাবে বড় ক্ষতির মুখে পড়েছে। একই সঙ্গে বেইজিংয়ের অর্থনৈতিক পদক্ষেপের কারণে আমেরিকার অর্থনৈতিক আধিপত্য চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। এছাড়াও দৈনিক ‘ফারহিখতেগান’ তাদের প্রথম পাতায় ট্রাম্পের শাসনশৈলীকে যুক্তরাষ্ট্রের পতনের মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করে শিরোনাম দিয়েছে— ‘ট্রাম্পবাদই ডেকে আনবে আমেরিকার বিনাশ।’ সামগ্রিকভাবে ইরানি গণমাধ্যমগুলো এই বার্তাই দিতে চাইছে যে, মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণের দিন শেষ হয়ে আসছে এবং বিশ্ব এখন নতুন একটি মেরুকরণের দিকে ধাবিত হচ্ছে।
বিবেচনাধীন
[email protected] | +৮৮০৯৬৯৬৭১৮৮১৮৮
হোল্ডিং ১৮৫, পদ্মা আবাসিক এলাকা, রাজশাহী-৬০০০।
© ২০২৬ সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | কালের দিশা