এমএসসি পাশ করে চাকরির পেছনে না ছুটে এখন সফল উদ্যোক্তা; কর্মসংস্থান করেছেন অর্ধশত নারীর
পাবনার উচ্চশিক্ষিত তরুণী অনুজা সাহা এ্যানি। এমএসসি পাশ করে আর দশজন সাধারণ শিক্ষার্থীর মতো তিনিও চেয়েছিলেন একটি সম্মানজনক চাকরি। কিন্তু ভাগ্য সহায় ছিল না। চাকরির পেছনে না ছুটে একসময় নিজেই কিছু করার সাহসী সিদ্ধান্ত নেন। আজ তিনি শুধু একজন সফল নারী উদ্যোক্তাই নন, বরং সমাজের পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।
পাবনা শহরের গোপালপুর মহল্লার এই বাসিন্দা ২০০৪ সালে বিয়ের পর সাংসারিক চাপে কিছুটা থমকে গিয়েছিলেন। একদিকে পড়াশোনা শেষ করা, অন্যদিকে স্বামীর ব্যবসায় মন্দা—সব মিলিয়ে ঘোর সংকটে পড়েছিলেন তিনি। সেই প্রতিকূল সময়ে মায়ের কাছ থেকে মাত্র এক হাজার টাকা নিয়ে শুরু করেন ঘরে তৈরি খাবারের ‘হোম ডেলিভারি’ সার্ভিস। সুস্বাদু পিঠা, কেক ও ঘরোয়া খাবারের সেই ক্ষুদ্র উদ্যোগই আজ ১৪ বছর পর ‘মায়ের পরশ’ নামক একটি জনপ্রিয় রেস্টুরেন্টে রূপ নিয়েছে।
এ্যানি জানান, শুরুর পথটা মসৃণ ছিল না। কিন্তু কঠোর পরিশ্রম আর মেধার জোরে তিনি আজ স্বাবলম্বী। বর্তমানে তার প্রতিষ্ঠানে সরাসরি কাজ করছেন প্রায় ১০ জন শ্রমিক এবং পরোক্ষভাবে প্রায় ৪০-৫০ জন নারীর আয়ের পথ তৈরি করে দিয়েছেন তিনি। বিসিক ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে তিনি তার ব্যবসাকে নিয়ে গেছেন এক অনন্য উচ্চতায়। কম মূল্যে মানসম্মত খাবার পরিবেশন করে পাবনাবাসীর কাছে তিনি এখন আস্থার প্রতীক।
তার এই অভাবনীয় সাফল্যে গর্বিত পরিবার ও স্থানীয় মানবাধিকার কর্মীরা। তার স্বামী বিপ্লব কুমারও এখন এ্যানির এই ব্যবসায় ছায়ার মতো পাশে থাকেন। এ্যানির মতে, "কোনো কাজই ছোট নয়। ভয় পেয়ে ঘরে বসে না থেকে পরিশ্রম করলে সফলতা আসবেই।" পাবনার অনেক নারী এখন এ্যানিকে দেখে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন বুনছেন।
মাত্র এক হাজার টাকার পুঁজিতে ভাগ্যের চাকা ঘোরালেন পাবনার এ্যানি
নিজের রেস্টুরেন্টে খাবার প্যাকেট করছেন সফল নারী উদ্যোক্তা অনুজা সাহা এ্যানি। ছবি: সংগৃহীত
পাবনার উচ্চশিক্ষিত তরুণী অনুজা সাহা এ্যানি। এমএসসি পাশ করে আর দশজন সাধারণ শিক্ষার্থীর মতো তিনিও চেয়েছিলেন একটি সম্মানজনক চাকরি। কিন্তু ভাগ্য সহায় ছিল না। চাকরির পেছনে না ছুটে একসময় নিজেই কিছু করার সাহসী সিদ্ধান্ত নেন। আজ তিনি শুধু একজন সফল নারী উদ্যোক্তাই নন, বরং সমাজের পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। পাবনা শহরের গোপালপুর মহল্লার এই বাসিন্দা ২০০৪ সালে বিয়ের পর সাংসারিক চাপে কিছুটা থমকে গিয়েছিলেন। একদিকে পড়াশোনা শেষ করা, অন্যদিকে স্বামীর ব্যবসায় মন্দা—সব মিলিয়ে ঘোর সংকটে পড়েছিলেন
তিনি। সেই প্রতিকূল সময়ে মায়ের কাছ থেকে মাত্র এক হাজার টাকা নিয়ে শুরু করেন ঘরে তৈরি খাবারের ‘হোম ডেলিভারি’ সার্ভিস। সুস্বাদু পিঠা, কেক ও ঘরোয়া খাবারের সেই ক্ষুদ্র উদ্যোগই আজ ১৪ বছর পর ‘মায়ের পরশ’ নামক একটি জনপ্রিয় রেস্টুরেন্টে রূপ নিয়েছে। এ্যানি জানান, শুরুর পথটা মসৃণ ছিল না। কিন্তু কঠোর পরিশ্রম আর মেধার জোরে তিনি আজ স্বাবলম্বী। বর্তমানে তার প্রতিষ্ঠানে সরাসরি কাজ করছেন প্রায় ১০ জন শ্রমিক এবং পরোক্ষভাবে প্রায় ৪০-৫০ জন নারীর আয়ের পথ তৈরি করে দিয়েছেন তিনি।
বিসিক ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে তিনি তার ব্যবসাকে নিয়ে গেছেন এক অনন্য উচ্চতায়। কম মূল্যে মানসম্মত খাবার পরিবেশন করে পাবনাবাসীর কাছে তিনি এখন আস্থার প্রতীক। তার এই অভাবনীয় সাফল্যে গর্বিত পরিবার ও স্থানীয় মানবাধিকার কর্মীরা। তার স্বামী বিপ্লব কুমারও এখন এ্যানির এই ব্যবসায় ছায়ার মতো পাশে থাকেন। এ্যানির মতে, "কোনো কাজই ছোট নয়। ভয় পেয়ে ঘরে বসে না থেকে পরিশ্রম করলে সফলতা আসবেই।" পাবনার অনেক নারী এখন এ্যানিকে দেখে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন বুনছেন।
বিবেচনাধীন
[email protected] | +৮৮০৯৬৯৬৭১৮৮১৮৮
হোল্ডিং ১৮৫, পদ্মা আবাসিক এলাকা, রাজশাহী-৬০০০।
© ২০২৬ সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | কালের দিশা