অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান দমনে 'জিরো টলারেন্স' নীতি; দিন-রাত টহল বাড়ানোর পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার।
সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ রুখতে কুড়িগ্রামের বিভিন্ন পয়েন্টে কড়া নজরদারি শুরু করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিশেষ করে চোরাচালান প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রেখে পুরো জেলাজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বাহিনীর সদস্যরা। আজ শনিবার সকালে কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়নের (২২ বিজিবি) পক্ষ থেকে এই বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক জানান, সীমান্তে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় গোয়েন্দা তৎপরতা ও নিয়মিত টহলের মাত্রা আগের তুলনায় কয়েকগুণ বাড়ানো হয়েছে। ব্যাটালিয়নের আওতাধীন প্রতিটি বিওপি (বর্ডার আউটপোস্ট) থেকে দিন-রাত নিরবচ্ছিন্নভাবে টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছেন সদস্যরা।
নিরাপত্তা নিশ্চিতে শুধু বাহিনীর শক্তি নয়, সীমান্তবর্তী সাধারণ মানুষের সহযোগিতাও নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতন করার পাশাপাশি সন্দেহভাজন ব্যক্তি বা যানবাহনের গতিবিধির ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখা হচ্ছে। মূলত সীমান্ত দিয়ে মাদক, গবাদিপশু বা অন্য কোনো সামগ্রীর অবৈধ পারাপার বন্ধ করতেই এই শক্ত অবস্থান নিয়েছে ২২ বিজিবি।
কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিজিবির কড়া পাহারায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা
কুড়িগ্রামের সীমান্ত এলাকায় বিজিবি সদস্যদের টহল ও কড়া নজরদারি। ছবি: সংগৃহীত।
সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ রুখতে কুড়িগ্রামের বিভিন্ন পয়েন্টে কড়া নজরদারি শুরু করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিশেষ করে চোরাচালান প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রেখে পুরো জেলাজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বাহিনীর সদস্যরা। আজ শনিবার সকালে কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়নের (২২ বিজিবি) পক্ষ থেকে
এই বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক জানান, সীমান্তে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় গোয়েন্দা তৎপরতা ও নিয়মিত টহলের মাত্রা আগের তুলনায় কয়েকগুণ বাড়ানো হয়েছে। ব্যাটালিয়নের আওতাধীন প্রতিটি বিওপি (বর্ডার আউটপোস্ট) থেকে দিন-রাত নিরবচ্ছিন্নভাবে টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছেন সদস্যরা। নিরাপত্তা
নিশ্চিতে শুধু বাহিনীর শক্তি নয়, সীমান্তবর্তী সাধারণ মানুষের সহযোগিতাও নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতন করার পাশাপাশি সন্দেহভাজন ব্যক্তি বা যানবাহনের গতিবিধির ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখা হচ্ছে। মূলত সীমান্ত দিয়ে মাদক, গবাদিপশু বা অন্য কোনো সামগ্রীর অবৈধ পারাপার বন্ধ করতেই এই শক্ত অবস্থান নিয়েছে ২২ বিজিবি।
বিবেচনাধীন
[email protected] | +৮৮০৯৬৯৬৭১৮৮১৮৮
হোল্ডিং ১৮৫, পদ্মা আবাসিক এলাকা, রাজশাহী-৬০০০।
© ২০২৬ সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | কালের দিশা