স্ত্রী-সন্তান ও শ্যালককে হত্যার পর শ্বশুরবাড়িতে ফোন করেন ফোরকান; মরদেহের পাশে পাওয়া গেল রহস্যময় নথি।
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় এক পরিবারের পাঁচ সদস্যকে নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় বেরিয়ে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, গৃহকর্তা ফোরকান মিয়া নিজেই এই রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়িতে এই মর্মন্তুদ ঘটনা ঘটে। আজ শনিবার সকালে পুলিশ ওই বাড়ি থেকে ফোরকানের স্ত্রী শারমিন (৩০), বড় মেয়ে মীম (১৫), মেজ মেয়ে মারিয়া (৮), ছোট মেয়ে ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল মিয়ার (২২) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের পর ফোরকান মিয়া গোপালগঞ্জে তার শ্বশুরবাড়িতে ফোন করে সবাইকে ‘শেষ করে দেওয়ার’ কথা জানান। ঘটনার বীভৎসতা দেখে স্থানীয়রাও স্তম্ভিত হয়ে পড়েছেন। ফোরকানের স্ত্রীকে জানালার সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অন্যদিকে মেঝের ওপর পড়ে ছিল তিন অবুঝ শিশুর নিথর দেহ। খাটের ওপর পাওয়া যায় শ্যালকের মরদেহ। অদ্ভুত বিষয় হলো, প্রতিটি মরদেহের পাশেই কিছু প্রিন্ট করা কাগজ বা মামলার নথিপত্র পড়ে থাকতে দেখা গেছে, যা নিয়ে রহস্য দানা বাঁধছে।
কালীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান জানান, ঘর থেকে সেমাই, কোমল পানীয় ও মদের বোতল উদ্ধার করা হয়েছে। খাবারে বিষক্রিয়া বা চেতনানাশক মেশানো হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মরদেহের পাশে পাওয়া কাগজগুলো গুরুত্বের সাথে যাচাই করছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ফোরকান পলাতক থাকলেও তাকে ধরতে পুলিশের একাধিক বিশেষ টিম অভিযানে নেমেছে।
কাপাসিয়ায় একই পরিবারের ৫ জনকে হত্যা: নেপথ্যে গা শিউরে ওঠা তথ্য
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় পাঁচ খুনের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত।
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় এক পরিবারের পাঁচ সদস্যকে নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় বেরিয়ে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, গৃহকর্তা ফোরকান মিয়া নিজেই এই রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়িতে এই মর্মন্তুদ ঘটনা ঘটে। আজ শনিবার সকালে পুলিশ ওই বাড়ি থেকে ফোরকানের স্ত্রী শারমিন (৩০), বড় মেয়ে মীম (১৫), মেজ মেয়ে মারিয়া (৮), ছোট মেয়ে ফারিয়া (২) এবং শ্যালক
রসুল মিয়ার (২২) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের পর ফোরকান মিয়া গোপালগঞ্জে তার শ্বশুরবাড়িতে ফোন করে সবাইকে ‘শেষ করে দেওয়ার’ কথা জানান। ঘটনার বীভৎসতা দেখে স্থানীয়রাও স্তম্ভিত হয়ে পড়েছেন। ফোরকানের স্ত্রীকে জানালার সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অন্যদিকে মেঝের ওপর পড়ে ছিল তিন অবুঝ শিশুর নিথর দেহ। খাটের ওপর পাওয়া যায় শ্যালকের মরদেহ। অদ্ভুত বিষয় হলো, প্রতিটি মরদেহের পাশেই কিছু প্রিন্ট করা কাগজ
বা মামলার নথিপত্র পড়ে থাকতে দেখা গেছে, যা নিয়ে রহস্য দানা বাঁধছে। কালীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান জানান, ঘর থেকে সেমাই, কোমল পানীয় ও মদের বোতল উদ্ধার করা হয়েছে। খাবারে বিষক্রিয়া বা চেতনানাশক মেশানো হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মরদেহের পাশে পাওয়া কাগজগুলো গুরুত্বের সাথে যাচাই করছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ফোরকান পলাতক থাকলেও তাকে ধরতে পুলিশের একাধিক বিশেষ টিম অভিযানে নেমেছে।
বিবেচনাধীন
[email protected] | +৮৮০৯৬৯৬৭১৮৮১৮৮
হোল্ডিং ১৮৫, পদ্মা আবাসিক এলাকা, রাজশাহী-৬০০০।
© ২০২৬ সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | কালের দিশা