যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে মোকাবিলায় তেহরানকে অত্যাধুনিক ফাইবার-অপটিক প্রযুক্তি দিচ্ছে ক্রেমলিন; ফাঁস হলো জিআরইউ-এর ১০ পৃষ্ঠার গোপন নথি।
মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে শক্তির ভারসাম্য বদলে দিতে এক অভাবনীয় ও গোপন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে রাশিয়া। সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইকোনমিস্টের হাতে আসা একটি অত্যন্ত গোপনীয় নথি থেকে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে ইরানকে সরাসরি শক্তিশালী করতে মস্কো তাদের সর্বাধুনিক ড্রোন প্রযুক্তি তেহরানের হাতে তুলে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। রাশিয়ার সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা জিআরইউ-এর তৈরি করা ১০ পৃষ্ঠার এই পরিকল্পনাটি মূলত গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর মাত্র ছয় সপ্তাহের মাথায় চূড়ান্ত করা হয়েছিল।
মস্কোর এই মহাপরিকল্পনার মূল আকর্ষণ হলো প্রায় ৫ হাজার স্বল্পপাল্লার ফাইবার-অপটিক ড্রোন এবং বেশ কিছু দীর্ঘপাল্লার স্যাটেলাইট-চালিত ড্রোন সরবরাহ করা। এই ড্রোনগুলো প্রথাগত রেডিও সিগন্যালের বদলে চিকন তারের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়, যার ফলে এগুলোকে ইলেকট্রনিক জ্যামিংয়ের মাধ্যমে পথভ্রষ্ট করা প্রায় অসম্ভব। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউক্রেন যুদ্ধে এই প্রযুক্তির অভাবনীয় সাফল্যের পর এখন তা মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন থাকা মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর জন্য বড় ধরনের মারণাস্ত্র হয়ে দাঁড়াতে পারে। ইতিমধ্যে লেবাননের হিজবুল্লাহর কাছে এই ধরনের ফাইবার-অপটিক ড্রোনের উপস্থিতি পাওয়া গেছে, যা পরোক্ষভাবে রাশিয়ার সংশ্লিষ্টতার দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই সামরিক সহযোগিতার নীল নকশা অনুযায়ী, রাশিয়া কেবল প্রযুক্তিই দিচ্ছে না, বরং ১০ হাজার ড্রোন অপারেটর তৈরির জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের পরিকল্পনাও হাতে নিয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের সম্ভাব্য হামলা মোকাবিলায় তেহরান ও মস্কোর এই নতুন অক্ষশক্তি এখন বিশ্ব রাজনীতির নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ইরানের হাতে রাশিয়ার ‘অজেয়’ ড্রোন: নেপথ্যে মস্কোর গোপন ছক
রাশিয়ার তৈরি অত্যাধুনিক সামরিক ড্রোনের মহড়া। ছবি: সংগৃহীত।
মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে শক্তির ভারসাম্য বদলে দিতে এক অভাবনীয় ও গোপন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে রাশিয়া। সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইকোনমিস্টের হাতে আসা একটি অত্যন্ত গোপনীয় নথি থেকে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে ইরানকে সরাসরি শক্তিশালী করতে মস্কো তাদের সর্বাধুনিক ড্রোন প্রযুক্তি তেহরানের হাতে তুলে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। রাশিয়ার সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা জিআরইউ-এর তৈরি করা ১০ পৃষ্ঠার এই পরিকল্পনাটি মূলত গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর মাত্র ছয়
সপ্তাহের মাথায় চূড়ান্ত করা হয়েছিল। মস্কোর এই মহাপরিকল্পনার মূল আকর্ষণ হলো প্রায় ৫ হাজার স্বল্পপাল্লার ফাইবার-অপটিক ড্রোন এবং বেশ কিছু দীর্ঘপাল্লার স্যাটেলাইট-চালিত ড্রোন সরবরাহ করা। এই ড্রোনগুলো প্রথাগত রেডিও সিগন্যালের বদলে চিকন তারের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়, যার ফলে এগুলোকে ইলেকট্রনিক জ্যামিংয়ের মাধ্যমে পথভ্রষ্ট করা প্রায় অসম্ভব। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউক্রেন যুদ্ধে এই প্রযুক্তির অভাবনীয় সাফল্যের পর এখন তা মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন থাকা মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর জন্য বড় ধরনের
মারণাস্ত্র হয়ে দাঁড়াতে পারে। ইতিমধ্যে লেবাননের হিজবুল্লাহর কাছে এই ধরনের ফাইবার-অপটিক ড্রোনের উপস্থিতি পাওয়া গেছে, যা পরোক্ষভাবে রাশিয়ার সংশ্লিষ্টতার দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই সামরিক সহযোগিতার নীল নকশা অনুযায়ী, রাশিয়া কেবল প্রযুক্তিই দিচ্ছে না, বরং ১০ হাজার ড্রোন অপারেটর তৈরির জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের পরিকল্পনাও হাতে নিয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের সম্ভাব্য হামলা মোকাবিলায় তেহরান ও মস্কোর এই নতুন অক্ষশক্তি এখন বিশ্ব রাজনীতির নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিবেচনাধীন
[email protected] | +৮৮০৯৬৯৬৭১৮৮১৮৮
হোল্ডিং ১৮৫, পদ্মা আবাসিক এলাকা, রাজশাহী-৬০০০।
© ২০২৬ সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | কালের দিশা