ইরান যুদ্ধের উত্তাপে স্থবির উপসাগরীয় অঞ্চল; ইউরোপে তীব্র জ্বালানি সংকটের হুঁশিয়ারি দিলো আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা।
মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে ইরান সংঘাতের প্রভাবে উত্তাল হয়ে উঠেছে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি। এই অস্থিরতার জেরে উপসাগরীয় অঞ্চলে বর্তমানে প্রায় ১ হাজার ৫০০ বাণিজ্যিক জাহাজ আটকা পড়েছে। পানামায় অনুষ্ঠিত 'মেরিটাইম কনভেনশন অব দ্য আমেরিকাস'-এ দেওয়া এক ভাষণে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) মহাসচিব আর্সেনিও ডোমিঙ্গেজ এই উদ্বেগজনক তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন, জাহাজগুলোর সঙ্গে প্রায় ২০ হাজার নাবিক ও ক্রু বর্তমানে ওই এলাকায় কার্যত অবরুদ্ধ অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।
এদিকে এই যুদ্ধের প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে, যা সবচেয়ে বেশি ভাবিয়ে তুলেছে ইউরোপকে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) এক সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, দ্রুত বিকল্প কোনো উৎস থেকে জ্বালানি আমদানির ব্যবস্থা করা না গেলে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পুরো ইউরোপে ভয়াবহ বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট দেখা দিতে পারে। বিবিসি’র প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, চলমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে ইউরোপের শিল্প উৎপাদন ও দৈনন্দিন জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের ধস নামার আশঙ্কা রয়েছে। মূলত হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় তেলের বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিকে এক অনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
হরমুজ সংকটে উপকূলে আটকা ১৫০০ জাহাজ, ২০ হাজার নাবিকের জীবন নিয়ে শঙ্কা
হরমুজ প্রণালিতে চলমান উত্তেজনায় স্থবির হয়ে পড়েছে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল ব্যবস্থা। ছবি: সংগৃহীত।
মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে ইরান সংঘাতের প্রভাবে উত্তাল হয়ে উঠেছে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি। এই অস্থিরতার জেরে উপসাগরীয় অঞ্চলে বর্তমানে প্রায় ১ হাজার ৫০০ বাণিজ্যিক জাহাজ আটকা পড়েছে। পানামায় অনুষ্ঠিত 'মেরিটাইম কনভেনশন অব দ্য আমেরিকাস'-এ দেওয়া এক ভাষণে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) মহাসচিব আর্সেনিও ডোমিঙ্গেজ এই উদ্বেগজনক তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন, জাহাজগুলোর সঙ্গে প্রায় ২০
হাজার নাবিক ও ক্রু বর্তমানে ওই এলাকায় কার্যত অবরুদ্ধ অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। এদিকে এই যুদ্ধের প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে, যা সবচেয়ে বেশি ভাবিয়ে তুলেছে ইউরোপকে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) এক সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, দ্রুত বিকল্প কোনো উৎস থেকে জ্বালানি আমদানির ব্যবস্থা করা না গেলে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পুরো ইউরোপে ভয়াবহ বিদ্যুৎ
ও গ্যাস সংকট দেখা দিতে পারে। বিবিসি’র প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, চলমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে ইউরোপের শিল্প উৎপাদন ও দৈনন্দিন জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের ধস নামার আশঙ্কা রয়েছে। মূলত হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় তেলের বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিকে এক অনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
বিবেচনাধীন
[email protected] | +৮৮০৯৬৯৬৭১৮৮১৮৮
হোল্ডিং ১৮৫, পদ্মা আবাসিক এলাকা, রাজশাহী-৬০০০।
© ২০২৬ সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | কালের দিশা