মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত প্রশমনে এক পৃষ্ঠার সমঝোতা স্মারকের দিকে এগোচ্ছে ওয়াশিংটন ও তেহরান। চুক্তির মাধ্যমে হরমুজ প্রণালিতে চলমান সামরিক উত্তেজনা ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে।
পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে চলমান সংকট নিরসনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চূড়ান্ত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। মধ্যস্থতাকারী দেশ ও আন্তর্জাতিক সূত্রের বরাতে মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনার বড় অগ্রগতি হয়েছে। এর ফলে হরমুজ প্রণালিতে দুই দেশের মধ্যকার সামরিক উত্তেজনা কমে আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
খসড়া অনুযায়ী, এই সমঝোতা স্মারকটি একটি এক পৃষ্ঠার মেমোর মাধ্যমে প্রণয়ন করা হচ্ছে, যেখানে মোট ১৪টি দফা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। স্মারকটি স্বাক্ষরিত হলে মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমান সংঘাতের সমাপ্তি ঘটবে এবং পরবর্তী ৩০ দিনের জন্য একটি বিস্তারিত আলোচনার সুযোগ তৈরি হবে।
এই চুক্তির প্রধান লক্ষ্যগুলো হলো হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা। ৩০ দিনের আলোচনার সময়কালে ইরান হরমুজ প্রণালিতে আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নেবে এবং এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রও ধীরে ধীরে নৌ অবরোধ শিথিল করবে।
এছাড়াও খসড়ার শর্ত অনুযায়ী, ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি স্থগিত রাখার প্রতিশ্রুতি দিতে পারে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের আটকে থাকা কয়েকশ কোটি ডলার ছাড় করার পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে সম্মত হবে। তবে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আলোচনা কোনো কারণে ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় অবরোধ ও সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণের অধিকার সংরক্ষণ করবে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন, চুক্তিটি চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, তেহরান নিজেদের জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রেখে একটি পূর্ণাঙ্গ ও ন্যায়সংগত চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী।
হরমুজ সংকট নিরসনে ১৪ দফার খসড়া: চূড়ান্ত সমঝোতার পথে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনে চূড়ান্ত সমঝোতার পথে দুই দেশ। ছবি: সংগৃহীত
পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে চলমান সংকট নিরসনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চূড়ান্ত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। মধ্যস্থতাকারী দেশ ও আন্তর্জাতিক সূত্রের বরাতে মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনার বড় অগ্রগতি হয়েছে। এর ফলে হরমুজ প্রণালিতে দুই দেশের মধ্যকার সামরিক উত্তেজনা কমে আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। খসড়া অনুযায়ী, এই সমঝোতা স্মারকটি একটি এক পৃষ্ঠার মেমোর মাধ্যমে প্রণয়ন করা হচ্ছে, যেখানে মোট ১৪টি দফা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। স্মারকটি স্বাক্ষরিত হলে মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমান সংঘাতের
সমাপ্তি ঘটবে এবং পরবর্তী ৩০ দিনের জন্য একটি বিস্তারিত আলোচনার সুযোগ তৈরি হবে। এই চুক্তির প্রধান লক্ষ্যগুলো হলো হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা। ৩০ দিনের আলোচনার সময়কালে ইরান হরমুজ প্রণালিতে আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নেবে এবং এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রও ধীরে ধীরে নৌ অবরোধ শিথিল করবে। এছাড়াও খসড়ার শর্ত অনুযায়ী, ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি স্থগিত রাখার প্রতিশ্রুতি দিতে পারে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের আটকে থাকা কয়েকশ কোটি ডলার ছাড় করার পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে সম্মত হবে। তবে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আলোচনা কোনো কারণে ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় অবরোধ ও সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণের অধিকার সংরক্ষণ করবে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন, চুক্তিটি চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, তেহরান নিজেদের জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রেখে একটি পূর্ণাঙ্গ ও ন্যায়সংগত চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী।
বিবেচনাধীন
[email protected] | +৮৮০৯৬৯৬৭১৮৮১৮৮
হোল্ডিং ১৮৫, পদ্মা আবাসিক এলাকা, রাজশাহী-৬০০০।
© ২০২৬ সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | কালের দিশা