আধুনিক শহুরে জীবনে দীর্ঘক্ষণ ডেস্কে বসে কাজ করা এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে। এর ফলে বাড়ছে ওজন, তৈরি হচ্ছে কোমরে ব্যথা আর পেশির জড়তা। জিম বা কঠিন ব্যায়ামের সময় যাদের নেই, তাদের জন্য আশার আলো দেখাচ্ছে যোগব্যায়ামের একটি সহজ ভঙ্গি— ‘চেয়ার কপোতাসন’ বা ‘চেয়ার পিজিয়ন পোজ’।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিকভাবে চেয়ারে বসে এই ব্যায়ামটি করলে অতিরিক্ত পরিশ্রম ছাড়াই শরীরকে সক্রিয় রাখা সম্ভব।
কপোতাসন কী এবং কেন করবেন?
সংস্কৃত ‘কপোত’ শব্দের অর্থ পায়রা। এই আসনে শরীরের ভঙ্গি অনেকটা পায়রার মতো হয় বলেই এর নাম কপোতাসন। দীর্ঘ সময় বসে থাকায় আমাদের নিতম্ব ও কোমরের পেশি শক্ত হয়ে যায়। চেয়ার কপোতাসন এই পেশিগুলোকে নমনীয় করে এবং মেরুদণ্ডের ওপর জমে থাকা চাপ কমিয়ে দেয়। বিশেষ করে বয়স্ক মানুষ বা যাদের ভারসাম্য বজায় রাখতে সমস্যা হয়, তাদের জন্য এটি অত্যন্ত নিরাপদ।
ব্যায়ামটি করার সঠিক পদ্ধতি:
১. একটি শক্ত ও স্থিতিশীল চেয়ারে সোজা হয়ে বসুন। খেয়াল রাখবেন পিঠ যেন চেয়ারে হেলান দিয়ে না থাকে।
২. দুই পায়ের পাতা মাটিতে সমানভাবে রেখে শরীরের ভারসাম্য ঠিক করুন।
৩. এবার বাম পা ভাঁজ করে ডান হাঁটুর ওপর আড়াআড়িভাবে রাখুন।
৪. মেরুদণ্ড সোজা রেখে হালকা একটু সামনের দিকে ঝুঁকে বাম হাঁটুটি হাত দিয়ে ধরুন।
৫. এই অবস্থায় গভীর শ্বাস নিয়ে ১০ সেকেন্ড স্থির থাকুন। এরপর পা বদলে পুনরায় করুন।
৬. প্রতিদিন অন্তত ৩ থেকে ৫ বার এই প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করলে সুফল পাওয়া যাবে।
উপকারিতা:
এই ব্যায়ামটি নিয়মিত করলে কোমর ও পিঠের ব্যথা উপশম হয়। এটি নিতম্বের পেশিকে নমনীয় করার পাশাপাশি পায়ের ‘কাফ মাসল’ শক্তিশালী করে, যা চলাফেরায় স্থিতিশীলতা বাড়ায়। সবচেয়ে বড় কথা, এটি নিয়মিত চর্চায় শরীরের মেদ কমিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
সতর্কতা:
যাদের হাঁটুতে অস্ত্রোপচার হয়েছে, মেরুদণ্ডে গুরুতর সমস্যা বা স্লিপ ডিস্ক রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এই ব্যায়ামটি করা অনুচিত। ব্যায়াম চলাকালীন তীব্র ব্যথা অনুভূত হলে সাথে সাথেই তা বন্ধ করে দিতে হবে।
চেয়ারে বসেই কমবে মেদ! ওজন কমানোর জাদুকরী ব্যায়াম ‘চেয়ার কপোতাসন’
সঠিক নিয়মে চেয়ার কপোতাসন চর্চায় বয়সের ছাপ ও শরীরের জড়তা দুই-ই কমে। — ছবি: সংগৃহীত
আধুনিক শহুরে জীবনে দীর্ঘক্ষণ ডেস্কে বসে কাজ করা এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে। এর ফলে বাড়ছে ওজন, তৈরি হচ্ছে কোমরে ব্যথা আর পেশির জড়তা। জিম বা কঠিন ব্যায়ামের সময় যাদের নেই, তাদের জন্য আশার আলো দেখাচ্ছে যোগব্যায়ামের একটি সহজ ভঙ্গি— ‘চেয়ার কপোতাসন’ বা ‘চেয়ার পিজিয়ন পোজ’। বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিকভাবে চেয়ারে বসে এই ব্যায়ামটি করলে অতিরিক্ত পরিশ্রম ছাড়াই শরীরকে সক্রিয় রাখা সম্ভব। কপোতাসন কী এবং কেন করবেন? সংস্কৃত ‘কপোত’ শব্দের অর্থ পায়রা। এই আসনে শরীরের ভঙ্গি অনেকটা পায়রার মতো হয় বলেই এর নাম কপোতাসন। দীর্ঘ সময় বসে থাকায় আমাদের নিতম্ব ও কোমরের পেশি শক্ত হয়ে যায়। চেয়ার কপোতাসন এই
পেশিগুলোকে নমনীয় করে এবং মেরুদণ্ডের ওপর জমে থাকা চাপ কমিয়ে দেয়। বিশেষ করে বয়স্ক মানুষ বা যাদের ভারসাম্য বজায় রাখতে সমস্যা হয়, তাদের জন্য এটি অত্যন্ত নিরাপদ। ব্যায়ামটি করার সঠিক পদ্ধতি: ১. একটি শক্ত ও স্থিতিশীল চেয়ারে সোজা হয়ে বসুন। খেয়াল রাখবেন পিঠ যেন চেয়ারে হেলান দিয়ে না থাকে। ২. দুই পায়ের পাতা মাটিতে সমানভাবে রেখে শরীরের ভারসাম্য ঠিক করুন। ৩. এবার বাম পা ভাঁজ করে ডান হাঁটুর ওপর আড়াআড়িভাবে রাখুন। ৪. মেরুদণ্ড সোজা রেখে হালকা একটু সামনের দিকে ঝুঁকে বাম হাঁটুটি হাত দিয়ে ধরুন। ৫. এই অবস্থায় গভীর শ্বাস নিয়ে ১০ সেকেন্ড স্থির থাকুন। এরপর পা
বদলে পুনরায় করুন। ৬. প্রতিদিন অন্তত ৩ থেকে ৫ বার এই প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করলে সুফল পাওয়া যাবে। উপকারিতা: এই ব্যায়ামটি নিয়মিত করলে কোমর ও পিঠের ব্যথা উপশম হয়। এটি নিতম্বের পেশিকে নমনীয় করার পাশাপাশি পায়ের ‘কাফ মাসল’ শক্তিশালী করে, যা চলাফেরায় স্থিতিশীলতা বাড়ায়। সবচেয়ে বড় কথা, এটি নিয়মিত চর্চায় শরীরের মেদ কমিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। সতর্কতা: যাদের হাঁটুতে অস্ত্রোপচার হয়েছে, মেরুদণ্ডে গুরুতর সমস্যা বা স্লিপ ডিস্ক রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এই ব্যায়ামটি করা অনুচিত। ব্যায়াম চলাকালীন তীব্র ব্যথা অনুভূত হলে সাথে সাথেই তা বন্ধ করে দিতে হবে।
বিবেচনাধীন
[email protected] | +৮৮০৯৬৯৬৭১৮৮১৮৮
হোল্ডিং ১৮৫, পদ্মা আবাসিক এলাকা, রাজশাহী-৬০০০।
© ২০২৬ সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | কালের দিশা