এক বছরে ৬৩ হাজার কোটি টাকা ঘাটতির শঙ্কা, জ্বালানি আমদানির ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার।
বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা, মধ্যপ্রাচ্য সংকট এবং ডলারের বিপরীতে টাকার ধারাবাহিক অবমূল্যায়নে বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে দেশের বিদ্যুৎ খাত। উচ্চমূল্যের কয়লা ও গ্যাস আমদানির পাশাপাশি ব্যয়বহুল বিদ্যুৎকেন্দ্রের বোঝা টানতে গিয়ে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) আর্থিক ঘাটতি চলতি অর্থবছরে প্রায় ৬৩ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে। গতকাল বৃহস্পতিবার অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির জন্য তৈরি বিদ্যুৎ বিভাগের এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক চিত্র ফুটে উঠেছে। এই বিশাল ভর্তুকির চাপ সামাল দিতে আগামী মাসেই খুচরা ও পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার।
বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্যমতে, বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে যে খরচ হচ্ছে, গ্রাহক পর্যায়ে তার চেয়ে গড়ে ৫ টাকা ৫০ পয়সা কম আদায় করা হচ্ছে। এই বিশাল ব্যবধান মেটাতেই সরকারকে প্রতিবছর পাহাড়সম ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। বিশেষ করে ভারত ও নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানি এবং আদানির ঝাড়খণ্ড কেন্দ্রের পাওনা মেটাতে নতুন করে ভর্তুকির প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। আগামী তিন মাসেই সরকারের অতিরিক্ত ১৫ হাজার ২৪৮ কোটি টাকার প্রয়োজন হবে, অথচ বাজেটে বরাদ্দ রয়েছে খুবই সামান্য। ফলে ভর্তুকি না বাড়লে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়বে। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ছাড়া অতিরিক্ত বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ এবং বিতর্কিত ক্রয় চুক্তির (পিপিএ) খেসারত দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। এই সংকট কাটাতে আগামী ২০ মে’র পর বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে গণশুনানি করতে যাচ্ছে বিইআরসি।
ভর্তুকির বিশাল চাপে বিদ্যুৎ খাত, জুনে ফের বাড়তে পারে দাম
বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ ও বিক্রয়মূল্যের বিশাল ব্যবধানে বাড়ছে সরকারের ভর্তুকির বোঝা। — ছবি: সংগৃহীত
বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা, মধ্যপ্রাচ্য সংকট এবং ডলারের বিপরীতে টাকার ধারাবাহিক অবমূল্যায়নে বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে দেশের বিদ্যুৎ খাত। উচ্চমূল্যের কয়লা ও গ্যাস আমদানির পাশাপাশি ব্যয়বহুল বিদ্যুৎকেন্দ্রের বোঝা টানতে গিয়ে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) আর্থিক ঘাটতি চলতি অর্থবছরে প্রায় ৬৩ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে। গতকাল বৃহস্পতিবার অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির জন্য তৈরি বিদ্যুৎ বিভাগের এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক চিত্র ফুটে উঠেছে। এই বিশাল ভর্তুকির
চাপ সামাল দিতে আগামী মাসেই খুচরা ও পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্যমতে, বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে যে খরচ হচ্ছে, গ্রাহক পর্যায়ে তার চেয়ে গড়ে ৫ টাকা ৫০ পয়সা কম আদায় করা হচ্ছে। এই বিশাল ব্যবধান মেটাতেই সরকারকে প্রতিবছর পাহাড়সম ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। বিশেষ করে ভারত ও নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানি এবং আদানির ঝাড়খণ্ড কেন্দ্রের পাওনা মেটাতে নতুন করে ভর্তুকির প্রয়োজন দেখা
দিয়েছে। আগামী তিন মাসেই সরকারের অতিরিক্ত ১৫ হাজার ২৪৮ কোটি টাকার প্রয়োজন হবে, অথচ বাজেটে বরাদ্দ রয়েছে খুবই সামান্য। ফলে ভর্তুকি না বাড়লে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়বে। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ছাড়া অতিরিক্ত বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ এবং বিতর্কিত ক্রয় চুক্তির (পিপিএ) খেসারত দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। এই সংকট কাটাতে আগামী ২০ মে’র পর বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে গণশুনানি করতে যাচ্ছে বিইআরসি।
বিবেচনাধীন
[email protected] | +৮৮০৯৬৯৬৭১৮৮১৮৮
হোল্ডিং ১৮৫, পদ্মা আবাসিক এলাকা, রাজশাহী-৬০০০।
© ২০২৬ সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | কালের দিশা