বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
ছবি
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬ | ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩
কালের দিশা - Kaler Disha | Latest Bangla News | সর্বশেষ সংবাদ
সর্বশেষ

উচ্চশিক্ষায় নারীর জয়জয়কার থাকলেও বিসিএস ক্যাডারে কেন এই বিশাল ব্যবধান?

বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রী ভর্তির হার ৫০ শতাংশ ছাড়িয়ে গেলেও বিসিএসের চূড়ান্ত সুপারিশে নারীদের অংশগ্রহণ মাত্র ২০ শতাংশের ঘরে।

বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে উচ্চশিক্ষার দোরগোড়ায় নারী ও পুরুষের অবস্থান এখন প্রায় সমানে সমান। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এক দশকের ব্যবধানে বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের হার ৩৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ৫০ দশমিক ৪১ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

তবে উচ্চশিক্ষার এই ঈর্ষণীয় সাফল্য প্রতিফলিত হচ্ছে না দেশের সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা বিসিএসের ফলাফলে। পিএসসির ৪৪তম থেকে ৪৯তম বিসিএসের লিঙ্গভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, চূড়ান্ত সুপারিশের ক্ষেত্রে নারীরা পুরুষদের তুলনায় যোজন যোজন পিছিয়ে রয়েছেন। এমনকি ৪৯তম বিসিএসে এই হার নেমে এসেছে মাত্র ১৬ দশমিক ৭৭ শতাংশে।

বিশ্লেষকদের মতে, উচ্চশিক্ষা শেষে একজন নারী মেধাবী শিক্ষার্থীকে বহুমুখী সামাজিক ও পারিবারিক প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়। বিশেষ করে পড়াশোনা শেষ করার পরপরই বিয়ের চাপ এবং সাংসারিক দায়িত্ব বিসিএসের মতো দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এছাড়া প্রকৌশল ও কারিগরি শিক্ষায় নারীদের কম অংশগ্রহণ টেকনিক্যাল ক্যাডারগুলোতে তাদের পিছিয়ে দিচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রশাসন বা নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নারীর দক্ষতা নিয়ে সমাজের পুরোনো নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি আজও পুরোপুরি বদলায়নি। ফলে অনেক মেধাবী নারী বিসিএস প্রস্তুতির চেয়ে তথাকথিত ‘নিরাপদ’ পেশাকেই বেছে নিচ্ছেন। নারীর ক্ষমতায়নের পূর্ণ সুফল পেতে শুধু ডিগ্রি নয়, কর্মক্ষেত্রে সমান অংশগ্রহণের জন্য সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন জরুরি।


সংক্ষিপ্ত বিবরণ (নিউজ কার্ডের জন্য):

ট্যাগ:

ছবির ক্যাপশন:
বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন একদল শিক্ষার্থী। 
ক্যাটাগরি:
শিক্ষাও শিক্ষাঙ্গন
ফেসবুক ফটোকার্ড ক্যাপশন:

খুঁজুন