মেধাতালিকায় দ্বিতীয় হয়েও বাদ পড়লেন স্বর্ণপদকজয়ী প্রার্থী; বিশেষজ্ঞ সদস্যের সই ছাড়াই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার অভিযোগ।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উর্দু বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নজিরবিহীন অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। নিয়োগ বোর্ডের সুপারিশকৃত মেধাতালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা যোগ্য প্রার্থীকে বাদ দিয়ে চতুর্থ স্থানে থাকা প্রার্থীকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এই অনিয়মের প্রতিবাদে নিয়োগ বোর্ডের বিশেষজ্ঞ সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. ইস্রাফিল চূড়ান্ত মেধাতালিকায় সই না করেই বোর্ড ত্যাগ করেন। এমন বিতর্কের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় নিয়োগটি অনুমোদন পাওয়ায় ক্ষোভ বিরাজ করছে।
ভুক্তভোগী প্রার্থীর নাম ড. এ সালাম। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকারী এবং দুটি স্বর্ণপদক বিজয়ী। এছাড়া তাঁর রয়েছে পিএইচডি ডিগ্রি ও একাধিক গবেষণা গ্রন্থ। নিয়োগে বঞ্চনার প্রতিকার চেয়ে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের লিগ্যাল সেলে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি।
সূত্রমতে, উর্দু বিভাগে তিনটি শূন্য পদের বিপরীতে ভাইভা শেষে ১৮ জনের মধ্য থেকে ছয়জনকে সুপারিশ করা হয়েছিল। নিয়োগ বোর্ডের বিশেষজ্ঞ সদস্য অধ্যাপক মো. ইস্রাফিল জানান, বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দ্বিতীয় স্থানে থাকা প্রার্থীকে সরিয়ে রহস্যজনকভাবে চতুর্থ স্থানে থাকা প্রার্থীকে তালিকায় ঢোকানো হয়। তিনি এর প্রতিবাদ করলে তৎকালীন উপাচার্য ‘সামগ্রিক পরিস্থিতি’ ও ‘নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে অগ্রাধিকার’ দেওয়ার অজুহাত দেখান। বিশেষজ্ঞ সদস্য এই জালিয়াতির অংশ হতে অস্বীকৃতি জানিয়ে শুধু হাজিরা খাতায় সই করে চলে আসেন।
উর্দু বিভাগের শিক্ষকরা অভিযোগ করেছেন, বিগত প্রশাসন তাদের পছন্দের প্রার্থীদের নিয়োগ দিতেই এমন নিয়মবহির্ভূত পদক্ষেপ নিয়েছে। বিশেষজ্ঞ সদস্যের সই ছাড়া নিয়োগ সম্পন্ন করাকে তাঁরা সরাসরি জালিয়াতি হিসেবে দেখছেন।
তবে এই অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীব। তিনি জানান, সবাই একমত হবেন এমন কোনো কথা নেই এবং নিয়োগে কোনো অনিয়ম হয়নি। অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক মো. ফরিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাবিতে শিক্ষক নিয়োগে বড় অনিয়মের অভিযোগ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন। শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে উত্তাল ক্যাম্পাস। (ছবি: সংগৃহীত)
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উর্দু বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নজিরবিহীন অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। নিয়োগ বোর্ডের সুপারিশকৃত মেধাতালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা যোগ্য প্রার্থীকে বাদ দিয়ে চতুর্থ স্থানে থাকা প্রার্থীকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এই অনিয়মের প্রতিবাদে নিয়োগ বোর্ডের বিশেষজ্ঞ সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. ইস্রাফিল চূড়ান্ত মেধাতালিকায় সই না করেই বোর্ড ত্যাগ করেন। এমন বিতর্কের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় নিয়োগটি অনুমোদন পাওয়ায় ক্ষোভ বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী প্রার্থীর নাম ড. এ সালাম। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম
স্থান অধিকারী এবং দুটি স্বর্ণপদক বিজয়ী। এছাড়া তাঁর রয়েছে পিএইচডি ডিগ্রি ও একাধিক গবেষণা গ্রন্থ। নিয়োগে বঞ্চনার প্রতিকার চেয়ে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের লিগ্যাল সেলে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি। সূত্রমতে, উর্দু বিভাগে তিনটি শূন্য পদের বিপরীতে ভাইভা শেষে ১৮ জনের মধ্য থেকে ছয়জনকে সুপারিশ করা হয়েছিল। নিয়োগ বোর্ডের বিশেষজ্ঞ সদস্য অধ্যাপক মো. ইস্রাফিল জানান, বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দ্বিতীয় স্থানে থাকা প্রার্থীকে সরিয়ে রহস্যজনকভাবে চতুর্থ স্থানে থাকা প্রার্থীকে তালিকায় ঢোকানো হয়। তিনি এর প্রতিবাদ করলে তৎকালীন উপাচার্য ‘সামগ্রিক পরিস্থিতি’ ও ‘নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে অগ্রাধিকার’ দেওয়ার অজুহাত দেখান। বিশেষজ্ঞ
সদস্য এই জালিয়াতির অংশ হতে অস্বীকৃতি জানিয়ে শুধু হাজিরা খাতায় সই করে চলে আসেন। উর্দু বিভাগের শিক্ষকরা অভিযোগ করেছেন, বিগত প্রশাসন তাদের পছন্দের প্রার্থীদের নিয়োগ দিতেই এমন নিয়মবহির্ভূত পদক্ষেপ নিয়েছে। বিশেষজ্ঞ সদস্যের সই ছাড়া নিয়োগ সম্পন্ন করাকে তাঁরা সরাসরি জালিয়াতি হিসেবে দেখছেন। তবে এই অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীব। তিনি জানান, সবাই একমত হবেন এমন কোনো কথা নেই এবং নিয়োগে কোনো অনিয়ম হয়নি। অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক মো. ফরিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিবেচনাধীন
[email protected] | +৮৮০৯৬৯৬৭১৮৮১৮৮
হোল্ডিং ১৮৫, পদ্মা আবাসিক এলাকা, রাজশাহী-৬০০০।
© ২০২৬ সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | কালের দিশা