কোনো জমকালো সাজসজ্জা নয়, বরং আগুনের লেলিহান শিখায় ভস্মীভূত দপ্তরের কঙ্কালসার ধ্বংসাবশেষের মাঝেই পালিত হলো ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার-এর ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে পত্রিকাটির নিজস্ব কার্যালয়ে পা রাখতেই অতিথিরা দেখতে পান পোড়া দেয়াল, ছাই আর জানালার ভাঙা কাচের স্তূপ। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বরের ভয়াবহ হামলার সেই স্মৃতিকে ধারণ করেই আয়োজন করা হয় সাংবাদিকতার সাড়ে তিন দশক উদ্যাপনের এই অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানে ডেইলি স্টার সম্পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনাম এক আবেগঘন বক্তব্যে বলেন, "একটি মুক্ত গণমাধ্যমকে যখন পুড়িয়ে দেওয়া হয়, তখন তার সঙ্গে গণতন্ত্রও পুড়ে যায়।" তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯৯১ সালে স্বৈরশাসনের পতনের মাহেন্দ্রক্ষণে এই পত্রিকার জন্ম হয়েছিল এবং কোনো অপশক্তিই ‘নির্ভীক ও নিরপেক্ষ’ সাংবাদিকতার পথচলা দমাতে পারবে না।
অনুষ্ঠানে ২০২৫ সালের সেই দুর্বিষহ রাতে সংবাদকর্মীদের প্রাণ বাঁচাতে এগিয়ে আসায় সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়া তৃণমূল পর্যায়ে নিরলস কাজ করে যাওয়া চার অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব—রহিমা খাতুন, বিল্লাল হোসেন, শিরিন আক্তার ও নাগিনা নাজনীন বানুকে তাঁদের অবদানের জন্য স্বীকৃতি জানানো হয়।
উদ্যাপন অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক অঙ্গনের শীর্ষ নেতা, সরকারের একাধিক মন্ত্রী, বিশিষ্ট সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং সাংবাদিক মহলের অগ্রজরা উপস্থিত ছিলেন। অতিথিদের তালিকায় ছিলেন প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমানসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমের প্রধানগণ ও বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা। ধ্বংসস্তূপের মাঝে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি উপস্থিত সবার কাছে এক ভিন্নধর্মী স্মারক হয়ে দাঁড়ায়, যা প্রমাণ করে ভবন পুড়লেও আদর্শিক সাংবাদিকতাকে মুছে ফেলা অসম্ভব।
পুড়ে যাওয়া দপ্তরেই দ্য ডেইলি স্টার-এর ৩৫ বছর উদ্যাপন
আগুনের ক্ষত আর ধ্বংসস্তূপের মাঝেই দ্য ডেইলি স্টার-এর ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন (ছবি: সংগৃহিত)।
কোনো জমকালো সাজসজ্জা নয়, বরং আগুনের লেলিহান শিখায় ভস্মীভূত দপ্তরের কঙ্কালসার ধ্বংসাবশেষের মাঝেই পালিত হলো ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার-এর ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে পত্রিকাটির নিজস্ব কার্যালয়ে পা রাখতেই অতিথিরা দেখতে পান পোড়া দেয়াল, ছাই আর জানালার ভাঙা কাচের স্তূপ। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বরের ভয়াবহ হামলার সেই স্মৃতিকে ধারণ করেই আয়োজন করা হয় সাংবাদিকতার সাড়ে তিন দশক উদ্যাপনের এই অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে ডেইলি স্টার সম্পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনাম এক আবেগঘন বক্তব্যে বলেন,
"একটি মুক্ত গণমাধ্যমকে যখন পুড়িয়ে দেওয়া হয়, তখন তার সঙ্গে গণতন্ত্রও পুড়ে যায়।" তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯৯১ সালে স্বৈরশাসনের পতনের মাহেন্দ্রক্ষণে এই পত্রিকার জন্ম হয়েছিল এবং কোনো অপশক্তিই ‘নির্ভীক ও নিরপেক্ষ’ সাংবাদিকতার পথচলা দমাতে পারবে না। অনুষ্ঠানে ২০২৫ সালের সেই দুর্বিষহ রাতে সংবাদকর্মীদের প্রাণ বাঁচাতে এগিয়ে আসায় সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়া তৃণমূল পর্যায়ে নিরলস কাজ করে যাওয়া চার অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব—রহিমা খাতুন, বিল্লাল হোসেন, শিরিন
আক্তার ও নাগিনা নাজনীন বানুকে তাঁদের অবদানের জন্য স্বীকৃতি জানানো হয়। উদ্যাপন অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক অঙ্গনের শীর্ষ নেতা, সরকারের একাধিক মন্ত্রী, বিশিষ্ট সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং সাংবাদিক মহলের অগ্রজরা উপস্থিত ছিলেন। অতিথিদের তালিকায় ছিলেন প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমানসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমের প্রধানগণ ও বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা। ধ্বংসস্তূপের মাঝে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি উপস্থিত সবার কাছে এক ভিন্নধর্মী স্মারক হয়ে দাঁড়ায়, যা প্রমাণ করে ভবন পুড়লেও আদর্শিক সাংবাদিকতাকে মুছে ফেলা অসম্ভব।
বিবেচনাধীন
[email protected] | +৮৮০৯৬৯৬৭১৮৮১৮৮
হোল্ডিং ১৮৫, পদ্মা আবাসিক এলাকা, রাজশাহী-৬০০০।
© ২০২৬ সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | কালের দিশা