ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরের মেয়াদকাল শেষে দেশে এখন মব সন্ত্রাসের ভয়াবহ উত্তরাধিকার নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। সমালোচকদের মতে, ইউনূস সরকারের অনিয়ন্ত্রিত শাসনকালে মব কালচার বা গণপিটুনির সংস্কৃতি এক বিশাল মহীরুহে পরিণত হয়েছে। অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলার এই বাতাবরণ দেশের বিচার বিভাগ থেকে শুরু করে শিক্ষাঙ্গন ও গণমাধ্যম—সবখানেই ছড়িয়ে পড়েছিল। অভিযোগ উঠেছে, ইউনূস সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকার কৌশল হিসেবে এই মব বাহিনীকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছে। নিউ ইয়র্কে বিল ক্লিনটনের আয়োজনে আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড নিয়ে ড. ইউনূসের সেই 'মেটিকুলাস ডিজাইন' বা সুপরিকল্পিত নকশার মন্তব্যটি এখন নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। ৫ আগস্ট পরবর্তী অরাজকতা কি তবে কোনো বৃহত্তর পরিকল্পনারই অংশ ছিল?
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, গত ১৮ মাসে মব সন্ত্রাসের শিকার হয়ে কয়েকশ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, যদিও মাঠপর্যায়ের কর্মীদের দাবি এই সংখ্যা হাজারে ছাড়িয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের পদত্যাগে বাধ্য করা থেকে শুরু করে শিল্প-কারখানায় অগ্নিসংযোগ ও সাংবাদিকদের ওপর নির্বিচার হয়রানি—সবকিছুই মব সন্ত্রাসের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করেন। বিশেষ করে বিচারিক প্রক্রিয়া ছাড়াই শত শত মানুষকে আটকে রাখা এবং ব্যাংক হিসাব জব্দের মতো ঘটনাগুলো আইনের শাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছে। অর্থনৈতিক খাতকে দুর্বল করে বিদেশি ঋণের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ানো এবং দেশের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় কাঠামোতে আঘাত হানার নেপথ্যেও মব বাহিনীর পরোক্ষ মদদ ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। ড. ইউনূসের এই 'শান্তির দূত' ইমেজের আড়ালে মব রাজত্বের এই কালো অধ্যায় নিয়ে দেশজুড়ে এখন চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।
মব সন্ত্রাস কি ড. ইউনূসের 'মেটিকুলাস ডিজাইনের' অংশ?
দেশে ক্রমবর্ধমান মব সন্ত্রাস ও অরাজকতা সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। ছবি: সংগৃহীত
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরের মেয়াদকাল শেষে দেশে এখন মব সন্ত্রাসের ভয়াবহ উত্তরাধিকার নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। সমালোচকদের মতে, ইউনূস সরকারের অনিয়ন্ত্রিত শাসনকালে মব কালচার বা গণপিটুনির সংস্কৃতি এক বিশাল মহীরুহে পরিণত হয়েছে। অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলার এই বাতাবরণ দেশের বিচার বিভাগ থেকে শুরু করে শিক্ষাঙ্গন ও গণমাধ্যম—সবখানেই ছড়িয়ে পড়েছিল। অভিযোগ উঠেছে, ইউনূস সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকার কৌশল হিসেবে এই মব বাহিনীকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছে। নিউ ইয়র্কে বিল ক্লিনটনের আয়োজনে
আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড নিয়ে ড. ইউনূসের সেই 'মেটিকুলাস ডিজাইন' বা সুপরিকল্পিত নকশার মন্তব্যটি এখন নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। ৫ আগস্ট পরবর্তী অরাজকতা কি তবে কোনো বৃহত্তর পরিকল্পনারই অংশ ছিল? মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, গত ১৮ মাসে মব সন্ত্রাসের শিকার হয়ে কয়েকশ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, যদিও মাঠপর্যায়ের কর্মীদের দাবি এই সংখ্যা হাজারে ছাড়িয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের পদত্যাগে বাধ্য করা থেকে শুরু করে শিল্প-কারখানায় অগ্নিসংযোগ ও সাংবাদিকদের ওপর নির্বিচার হয়রানি—সবকিছুই মব সন্ত্রাসের মাধ্যমে সম্পন্ন
হয়েছে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করেন। বিশেষ করে বিচারিক প্রক্রিয়া ছাড়াই শত শত মানুষকে আটকে রাখা এবং ব্যাংক হিসাব জব্দের মতো ঘটনাগুলো আইনের শাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছে। অর্থনৈতিক খাতকে দুর্বল করে বিদেশি ঋণের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ানো এবং দেশের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় কাঠামোতে আঘাত হানার নেপথ্যেও মব বাহিনীর পরোক্ষ মদদ ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। ড. ইউনূসের এই 'শান্তির দূত' ইমেজের আড়ালে মব রাজত্বের এই কালো অধ্যায় নিয়ে দেশজুড়ে এখন চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।
বিবেচনাধীন
[email protected] | +৮৮০৯৬৯৬৭১৮৮১৮৮
হোল্ডিং ১৮৫, পদ্মা আবাসিক এলাকা, রাজশাহী-৬০০০।
© ২০২৬ সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | কালের দিশা