জাতীয় সংসদে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অবস্থানের কঠোর সমালোচনা করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াত ও তাদের মিত্রদের লিফলেটে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান এবং জুলাই সনদের কোনো প্রতিফলন নেই। মন্ত্রীর মতে, গণভোটের প্রশ্নে জামায়াতের বর্তমান অবস্থান মূলত ‘আধা প্রেম আর আধা প্রতারণা’র শামিল।
আইনমন্ত্রী বলেন, ৩৩টি রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যে যে জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছিল, জামায়াতের লিফলেটে তার কোনো চিহ্ন পর্যন্ত নেই। জুলাই সনদ থেকে গণভোটের দাবিকে যেভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, তাকে তিনি সংবিধান ও আইনের ওপর এক ধরনের ‘জালিয়াতি’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিরোধী দল সংস্কারের জন্য যেসব পয়েন্ট উল্লেখ করেছে, সেখানে জুলাই আন্দোলনের চেতনার কোনো উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।
গণভোটের চারটি প্রশ্নের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, সাড়ে তিনটি প্রশ্নের ব্যাপারে বিএনপির কখনো কোনো আপত্তি ছিল না। তবে বাকি যে অর্ধেক অংশ রয়েছে, সেখানেই জামায়াতের দ্বিমুখী অবস্থান স্পষ্ট। একেই তিনি ‘আধা প্রেম, আধা প্রতারণা’ বলে সংজ্ঞায়িত করেন। আইনমন্ত্রী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, এই সংসদ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং ৯০ ও ২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি আধুনিক বাংলাদেশ গড়তে চায়। কিন্তু বিশ্বের বিভিন্ন বিপ্লবের পর রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে সমঝোতা দেখা যায়, জামায়াতের ক্ষেত্রে সেই চেতনার অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে।
উপমহাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট টেনে মন্ত্রী বিদ্রুপের সুরে বলেন, ১৮৫৪ সালে ব্রিটিশরা এ দেশের মানুষকে ব্রিটিশদের তুলনায় কম বুদ্ধিমান মনে করে পাসের নম্বর ৩৩ নির্ধারণ করেছিল। জামায়াতের লিফলেট পড়ে তার মনে হয়েছে, তারা আজও এ দেশের মানুষকে সেই সে আমলের অর্ধশিক্ষিত ভাবছে কি না। কারণ, যে আন্দোলনে ছাত্র-জনতা রক্ত দিল, সেই জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও জুলাই সনদের কোনো শব্দ তাদের রাজনৈতিক দলিলে না থাকা অত্যন্ত দুঃখজনক।
জামায়াতের গণভোট নীতি নিয়ে আইনমন্ত্রীর কড়া সমালোচনা
সংসদে বক্তব্য রাখছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। ছবি: সংগৃহীত।
জাতীয় সংসদে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অবস্থানের কঠোর সমালোচনা করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াত ও তাদের মিত্রদের লিফলেটে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান এবং জুলাই সনদের কোনো প্রতিফলন নেই। মন্ত্রীর মতে, গণভোটের প্রশ্নে জামায়াতের বর্তমান অবস্থান মূলত ‘আধা প্রেম আর আধা প্রতারণা’র শামিল। আইনমন্ত্রী বলেন, ৩৩টি রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যে যে জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছিল, জামায়াতের লিফলেটে তার কোনো চিহ্ন পর্যন্ত নেই। জুলাই সনদ থেকে গণভোটের দাবিকে যেভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, তাকে তিনি সংবিধান ও আইনের ওপর
এক ধরনের ‘জালিয়াতি’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিরোধী দল সংস্কারের জন্য যেসব পয়েন্ট উল্লেখ করেছে, সেখানে জুলাই আন্দোলনের চেতনার কোনো উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। গণভোটের চারটি প্রশ্নের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, সাড়ে তিনটি প্রশ্নের ব্যাপারে বিএনপির কখনো কোনো আপত্তি ছিল না। তবে বাকি যে অর্ধেক অংশ রয়েছে, সেখানেই জামায়াতের দ্বিমুখী অবস্থান স্পষ্ট। একেই তিনি ‘আধা প্রেম, আধা প্রতারণা’ বলে সংজ্ঞায়িত করেন। আইনমন্ত্রী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, এই সংসদ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং ৯০ ও ২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি আধুনিক বাংলাদেশ গড়তে চায়। কিন্তু
বিশ্বের বিভিন্ন বিপ্লবের পর রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে সমঝোতা দেখা যায়, জামায়াতের ক্ষেত্রে সেই চেতনার অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। উপমহাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট টেনে মন্ত্রী বিদ্রুপের সুরে বলেন, ১৮৫৪ সালে ব্রিটিশরা এ দেশের মানুষকে ব্রিটিশদের তুলনায় কম বুদ্ধিমান মনে করে পাসের নম্বর ৩৩ নির্ধারণ করেছিল। জামায়াতের লিফলেট পড়ে তার মনে হয়েছে, তারা আজও এ দেশের মানুষকে সেই সে আমলের অর্ধশিক্ষিত ভাবছে কি না। কারণ, যে আন্দোলনে ছাত্র-জনতা রক্ত দিল, সেই জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও জুলাই সনদের কোনো শব্দ তাদের রাজনৈতিক দলিলে না থাকা অত্যন্ত দুঃখজনক।
বিবেচনাধীন
[email protected] | +৮৮০৯৬৯৬৭১৮৮১৮৮
হোল্ডিং ১৮৫, পদ্মা আবাসিক এলাকা, রাজশাহী-৬০০০।
© ২০২৬ সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | কালের দিশা