যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ, হুমকির মুখে শান্তি প্রক্রিয়া ও জ্বালানি সরবরাহ।
দীর্ঘদিন পর শান্ত হতে শুরু করা জ্বালানি তেলের বাজার আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম বড় ব্যবধানে বৃদ্ধি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির তথ্যমতে, শুক্রবার এশিয়ার বাজারে লেনদেন শুরু হতেই ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ২.৬ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০২.৭০ ডলারে ঠেকেছে। একই সময়ে মার্কিন ক্রুড অয়েলের দামও ঊর্ধ্বমুখী হয়ে প্রায় ৯৭ ডলারে পৌঁছেছে।
উত্তেজনার সূত্রপাত ঘটে হরমুজ প্রণালি দিয়ে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের প্রস্থানকে কেন্দ্র করে। ওয়াশিংটনের দাবি, তাদের জাহাজ লক্ষ্য করে ইরান ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও ছোট নৌযানের মাধ্যমে 'উসকানিমূলক' হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে মার্কিন বাহিনী আত্মরক্ষামূলক পাল্টা হামলা চালায়। তবে এ ঘটনায় নিজেদের কোনো জাহাজের ক্ষতি হয়নি বলে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
বিপরীত চিত্র উঠে এসেছে তেহরানের পক্ষ থেকে। ইরানের সামরিক বাহিনীর অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে তাদের জাহাজ ও একটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা করেছে। এমনকি ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, পাল্টা জবাবে মার্কিন রণতরীর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করা হয়েছে। যদিও পেন্টাগন এই দাবিকে নাকচ করে দিয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সংঘাতের ফলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত অনির্দিষ্টকালের যুদ্ধবিরতি এখন বড় চ্যালেঞ্জের মুখে। ট্রাম্প এই ঘটনাকে ‘সামান্য সংঘাত’ হিসেবে আখ্যা দিলেও ইরানকে সতর্ক করে বলেছেন, সমঝোতায় না এলে বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট জ্বালানি পরিবহনের প্রায় ২০ শতাংশ এই সরু জলপথ দিয়ে সম্পন্ন হয়, যার ফলে সামান্য অস্থিরতাও বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা দিচ্ছে।
হরমুজ প্রণালিতে ফের উত্তেজনা: বিশ্ববাজারে হু হু করে বাড়ছে তেলের দাম
হরমুজ প্রণালিতে চলমান উত্তেজনার প্রভাবে অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের বাজার। — ছবি: সংগৃহীত
দীর্ঘদিন পর শান্ত হতে শুরু করা জ্বালানি তেলের বাজার আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম বড় ব্যবধানে বৃদ্ধি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির তথ্যমতে, শুক্রবার এশিয়ার বাজারে লেনদেন শুরু হতেই ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ২.৬ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০২.৭০ ডলারে ঠেকেছে। একই সময়ে মার্কিন ক্রুড অয়েলের দামও ঊর্ধ্বমুখী হয়ে প্রায় ৯৭ ডলারে পৌঁছেছে। উত্তেজনার সূত্রপাত ঘটে হরমুজ প্রণালি দিয়ে
মার্কিন যুদ্ধজাহাজের প্রস্থানকে কেন্দ্র করে। ওয়াশিংটনের দাবি, তাদের জাহাজ লক্ষ্য করে ইরান ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও ছোট নৌযানের মাধ্যমে 'উসকানিমূলক' হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে মার্কিন বাহিনী আত্মরক্ষামূলক পাল্টা হামলা চালায়। তবে এ ঘটনায় নিজেদের কোনো জাহাজের ক্ষতি হয়নি বলে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বিপরীত চিত্র উঠে এসেছে তেহরানের পক্ষ থেকে। ইরানের সামরিক বাহিনীর অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে তাদের জাহাজ ও একটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা করেছে। এমনকি ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, পাল্টা জবাবে মার্কিন রণতরীর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
করা হয়েছে। যদিও পেন্টাগন এই দাবিকে নাকচ করে দিয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সংঘাতের ফলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত অনির্দিষ্টকালের যুদ্ধবিরতি এখন বড় চ্যালেঞ্জের মুখে। ট্রাম্প এই ঘটনাকে ‘সামান্য সংঘাত’ হিসেবে আখ্যা দিলেও ইরানকে সতর্ক করে বলেছেন, সমঝোতায় না এলে বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট জ্বালানি পরিবহনের প্রায় ২০ শতাংশ এই সরু জলপথ দিয়ে সম্পন্ন হয়, যার ফলে সামান্য অস্থিরতাও বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা দিচ্ছে।
বিবেচনাধীন
[email protected] | +৮৮০৯৬৯৬৭১৮৮১৮৮
হোল্ডিং ১৮৫, পদ্মা আবাসিক এলাকা, রাজশাহী-৬০০০।
© ২০২৬ সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | কালের দিশা