বয়স ও চর্মরোগের কারণে মিলছে না বায়োমেট্রিক তথ্য, বিকল্প হিসেবে ফেস রিকগনিশন চালুর চিন্তাভাবনা
জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি যাচাইয়ের ক্ষেত্রে আঙুলের ছাপ না মেলায় রাজধানীসহ সারাদেশের অসংখ্য মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এনআইডি সার্ভারে একসময় আঙুলের ছাপ সংরক্ষিত থাকলেও বর্তমানে সেবা গ্রহণের সময় তা আর ম্যাচ করছে না। মূলত বয়স বৃদ্ধি, চর্মরোগ কিংবা কায়িক শ্রমের কারণে আঙুলের রেখা অস্পষ্ট হয়ে যাওয়ায় এই সংকট তৈরি হচ্ছে। এর ফলে সিম কার্ড উত্তোলন, সঞ্চয়পত্র কেনা এবং বিভিন্ন সরকারি ও আর্থিক সেবা পেতে গিয়ে সাধারণ নাগরিকদের দিনের পর দিন হয়রানি পোহাতে হচ্ছে। ভুক্তভোগীদের সহায়তায় নির্বাচন কমিশন থেকে বর্তমানে প্রত্যয়নপত্র বা এনওসি প্রদান করা হচ্ছে, যা সংগ্রহ করতে দেশের দূর-দূরান্ত থেকে মানুষকে ঢাকার নির্বাচন ভবনে আসতে হচ্ছে। স্থানীয় পর্যায়ে এই সেবা না থাকায় ভোগান্তি আরও কয়েক গুণ বেড়ে গেছে।
মোবাইল সিম সংগ্রহের ক্ষেত্রে এই সমস্যাটি বর্তমানে সবচেয়ে প্রকট। একটি সিম তুলতে চারটি আঙুলের ছাপ দিতে হলেও অনেক সময় একটি ছাপও না মেলায় গ্রাহক সিম পাচ্ছেন না। এ প্রসঙ্গে মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন এমটব জানিয়েছে, বর্তমানে তারা এনওসির মাধ্যমে সিম সরবরাহ করলেও বিকল্প হিসেবে ফেস রিকগনিশন বা মুখমণ্ডল শনাক্তকরণ প্রযুক্তি চালুর বিষয়ে বিটিআরসির সঙ্গে আলোচনা চলছে। তবে নির্বাচন কমিশনের আইটি শাখা মনে করছে, মুখমণ্ডল শনাক্তকরণ শতভাগ নির্ভুল নাও হতে পারে, যেখানে আইরিশ বা চোখের মণি এবং আঙুলের ছাপ অনেক বেশি নিরাপদ। বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের প্রথম দুই মাসেই দুই হাজারেরও বেশি নাগরিককে আঙুলের ছাপ না মেলায় এনওসি প্রদান করা হয়েছে। এই সংকট নিরসনে সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বয় এবং প্রযুক্তির আধুনিকায়ন এখন সময়ের দাবি।
এনআইডিতে আঙুলের ছাপ বিভ্রাট: সিম ও সরকারি সেবায় নাগরিক ভোগান্তি চরমে
এনআইডি কার্ডের আঙুলের ছাপ না মেলায় সেবা পেতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি যাচাইয়ের ক্ষেত্রে আঙুলের ছাপ না মেলায় রাজধানীসহ সারাদেশের অসংখ্য মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এনআইডি সার্ভারে একসময় আঙুলের ছাপ সংরক্ষিত থাকলেও বর্তমানে সেবা গ্রহণের সময় তা আর ম্যাচ করছে না। মূলত বয়স বৃদ্ধি, চর্মরোগ কিংবা কায়িক শ্রমের কারণে আঙুলের রেখা অস্পষ্ট হয়ে যাওয়ায় এই সংকট তৈরি হচ্ছে। এর ফলে সিম কার্ড উত্তোলন, সঞ্চয়পত্র কেনা এবং বিভিন্ন সরকারি ও আর্থিক সেবা পেতে গিয়ে সাধারণ নাগরিকদের দিনের পর দিন হয়রানি পোহাতে হচ্ছে। ভুক্তভোগীদের সহায়তায়
নির্বাচন কমিশন থেকে বর্তমানে প্রত্যয়নপত্র বা এনওসি প্রদান করা হচ্ছে, যা সংগ্রহ করতে দেশের দূর-দূরান্ত থেকে মানুষকে ঢাকার নির্বাচন ভবনে আসতে হচ্ছে। স্থানীয় পর্যায়ে এই সেবা না থাকায় ভোগান্তি আরও কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। মোবাইল সিম সংগ্রহের ক্ষেত্রে এই সমস্যাটি বর্তমানে সবচেয়ে প্রকট। একটি সিম তুলতে চারটি আঙুলের ছাপ দিতে হলেও অনেক সময় একটি ছাপও না মেলায় গ্রাহক সিম পাচ্ছেন না। এ প্রসঙ্গে মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন এমটব জানিয়েছে, বর্তমানে তারা এনওসির মাধ্যমে সিম সরবরাহ করলেও বিকল্প
হিসেবে ফেস রিকগনিশন বা মুখমণ্ডল শনাক্তকরণ প্রযুক্তি চালুর বিষয়ে বিটিআরসির সঙ্গে আলোচনা চলছে। তবে নির্বাচন কমিশনের আইটি শাখা মনে করছে, মুখমণ্ডল শনাক্তকরণ শতভাগ নির্ভুল নাও হতে পারে, যেখানে আইরিশ বা চোখের মণি এবং আঙুলের ছাপ অনেক বেশি নিরাপদ। বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের প্রথম দুই মাসেই দুই হাজারেরও বেশি নাগরিককে আঙুলের ছাপ না মেলায় এনওসি প্রদান করা হয়েছে। এই সংকট নিরসনে সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বয় এবং প্রযুক্তির আধুনিকায়ন এখন সময়ের দাবি।
বিবেচনাধীন
[email protected] | +৮৮০৯৬৯৬৭১৮৮১৮৮
হোল্ডিং ১৮৫, পদ্মা আবাসিক এলাকা, রাজশাহী-৬০০০।
© ২০২৬ সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | কালের দিশা