বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ২০২৫-২৬ সেশনের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রমের প্রথম পর্যায় সম্পন্ন হয়েছে। চার দিনব্যাপী চলা এই প্রক্রিয়ায় ১ হাজার ৬টি আসনের বিপরীতে এখন পর্যন্ত ভর্তি হয়েছেন ৬১৫ জন শিক্ষার্থী। অর্থাৎ, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদে এখনো ৩৯১টি আসন শূন্য রয়েছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর অধ্যাপক ড. কাজী ফরহাদ কাদির ভর্তির এই পরিসংখ্যান নিশ্চিত করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ৩৩৫ এবং ছাত্রীর সংখ্যা ২৮০ জন। শতাংশের হিসেবে এখন পর্যন্ত মোট আসনের প্রায় ৬১ শতাংশ শিক্ষার্থী তাদের ভর্তি প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করেছেন। অনুষদভিত্তিক তথ্যানুযায়ী, সবচেয়ে বেশি ১৬৮টি আসন ফাঁকা রয়েছে কৃষি অনুষদে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ৩৩৫ এবং ছাত্রীর সংখ্যা ২৮০ জন। শতাংশের হিসেবে এখন পর্যন্ত মোট আসনের প্রায় ৬১ শতাংশ শিক্ষার্থী তাদের ভর্তি প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করেছেন। অনুষদভিত্তিক তথ্যানুযায়ী, সবচেয়ে বেশি ১৬৮টি আসন ফাঁকা রয়েছে কৃষি অনুষদে।
এছাড়া ভেটেরিনারি অনুষদে ২০টি, পশুপালন অনুষদে ৯টি, কৃষি অর্থনীতি ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদে ২৬টি এবং মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদে ৩৫টি আসন খালি আছে। কারিগরি ও বিশেষায়িত ডিগ্রির মধ্যে অ্যাগ্রিকালচারাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ৪৪টি, ফুড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ২৩টি, বায়োইনফরম্যাটিকস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ১৪টি, ফুড সেফটি ম্যানেজমেন্টে ১১টি এবং ভেটেরিনারি সায়েন্স অ্যান্ড অ্যানিম্যাল হাজবেন্ড্রি ডিগ্রিতে ৪১টি আসন শূন্য রয়েছে।
ভর্তি কমিটি জানিয়েছে, যারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মেধাতালিকায় থেকেও ভর্তি হননি, তাদের সুযোগ বাতিল বলে গণ্য হবে। এই শূন্য আসনগুলো পূরণে এখন মাইগ্রেশন প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৬ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই ভর্তি কার্যক্রমে ফি নির্ধারণ করা হয়েছিল ৬ হাজার ২১৪ টাকা। তবে যেসব শিক্ষার্থী আগে ১০ হাজার টাকা জমা দিয়েছিলেন, তাদের নতুন করে কোনো ফি দিতে হয়নি; বরং অতিরিক্ত অর্থ শিক্ষার্থীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।