গবেষণা নেই, জনবল নেই; অথচ আকাশছোঁয়া আবাসিক টাওয়ার আর বিলাসী স্থাপনায় খরচ শত শত কোটি টাকা।
সাভারের আশুলিয়ায় যেন এক আধুনিক ভুতুড়ে শহর! দূর থেকে ঝকঝকে সুউচ্চ ভবন আর সাজানো বাগান দেখে একে আন্তর্জাতিক গবেষণা কমপ্লেক্স মনে হলেও ভেতরে প্রবেশ করতেই বেরিয়ে আসে ভিন্ন চিত্র। জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের নামে নেওয়া ‘জাতীয় জিন ব্যাংক’ প্রকল্প এখন পর্যবসিত হয়েছে অবকাঠামো নির্মাণের মহোৎসবে। ২০১৮ সালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল উদ্ভিদ ও প্রাণীর জিনেটিক সম্পদ রক্ষা করা। কিন্তু সাত বছর পেরিয়ে প্রকল্পের অর্জন এখন কেবলই জনমানবহীন বিশালাকায় কিছু ইমারত।
প্রাথমিক পর্যায়ে মাত্র ৫০ কোটি টাকায় জিন ব্যাংক স্থাপনের পরিকল্পনা থাকলেও ধীরে ধীরে এতে যুক্ত হয় ১৪ তলা কর্মকর্তাদের আবাসন, ২০ তলা স্টাফ কোয়ার্টার এবং ১০ তলার ভিআইপি ডরমিটরি। ফলে প্রকল্পের ব্যয় ১০ গুণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০৪ কোটি টাকায়। অথচ ল্যাবগুলোতে গবেষণার কোনো চিহ্ন নেই, নেই প্রয়োজনীয় জনবল। ২৫৪ জন কর্মীর চাহিদা থাকলেও অনুমোদন মিলেছে নামমাত্র, যাদের নিয়োগ প্রক্রিয়াও ঝুলে আছে। এনআইবি কর্মকর্তাদের মতেই, গবেষণার চেয়ে ইটের পাজর তৈরিতেই বেশি আগ্রহী ছিল কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে এই বিশাল কমপ্লেক্স অনেকটা ব্যবহারের অপেক্ষায় নিস্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, যাকে স্থানীয়রা উপহাস করে বলছেন ‘জ্বিনের আবাসস্থল’।
৫০০ কোটির ‘জাতীয় জিন ব্যাংক’: গবেষণার চেয়ে ভবনবিলাসেই মত্ত প্রকল্প!
সাভারের আশুলিয়ায় নবনির্মিত জাতীয় জিন ব্যাংক ও এর বিশাল আবাসিক কমপ্লেক্স। ছবি: সংগৃহীত
সাভারের আশুলিয়ায় যেন এক আধুনিক ভুতুড়ে শহর! দূর থেকে ঝকঝকে সুউচ্চ ভবন আর সাজানো বাগান দেখে একে আন্তর্জাতিক গবেষণা কমপ্লেক্স মনে হলেও ভেতরে প্রবেশ করতেই বেরিয়ে আসে ভিন্ন চিত্র। জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের নামে নেওয়া ‘জাতীয় জিন ব্যাংক’ প্রকল্প এখন পর্যবসিত হয়েছে অবকাঠামো নির্মাণের মহোৎসবে। ২০১৮ সালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য
ছিল উদ্ভিদ ও প্রাণীর জিনেটিক সম্পদ রক্ষা করা। কিন্তু সাত বছর পেরিয়ে প্রকল্পের অর্জন এখন কেবলই জনমানবহীন বিশালাকায় কিছু ইমারত। প্রাথমিক পর্যায়ে মাত্র ৫০ কোটি টাকায় জিন ব্যাংক স্থাপনের পরিকল্পনা থাকলেও ধীরে ধীরে এতে যুক্ত হয় ১৪ তলা কর্মকর্তাদের আবাসন, ২০ তলা স্টাফ কোয়ার্টার এবং ১০ তলার ভিআইপি ডরমিটরি। ফলে প্রকল্পের ব্যয় ১০ গুণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে
৫০৪ কোটি টাকায়। অথচ ল্যাবগুলোতে গবেষণার কোনো চিহ্ন নেই, নেই প্রয়োজনীয় জনবল। ২৫৪ জন কর্মীর চাহিদা থাকলেও অনুমোদন মিলেছে নামমাত্র, যাদের নিয়োগ প্রক্রিয়াও ঝুলে আছে। এনআইবি কর্মকর্তাদের মতেই, গবেষণার চেয়ে ইটের পাজর তৈরিতেই বেশি আগ্রহী ছিল কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে এই বিশাল কমপ্লেক্স অনেকটা ব্যবহারের অপেক্ষায় নিস্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, যাকে স্থানীয়রা উপহাস করে বলছেন ‘জ্বিনের আবাসস্থল’।
বিবেচনাধীন
[email protected] | +৮৮০৯৬৯৬৭১৮৮১৮৮
হোল্ডিং ১৮৫, পদ্মা আবাসিক এলাকা, রাজশাহী-৬০০০।
© ২০২৬ সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | কালের দিশা